বিকেএসপি থেকে: ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে এই প্রথম মাশরাফি বিন মর্তুজা ও মুশফিকুর রহিম খেললেন একই দলে। লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের ডেরায় টাইগারদের ওয়ানডে অধিনায়ক ও টেস্ট অধিনায়কের পথচলা শুরু হল জয় দিয়েই। বুধবার ব্রাদার্স ইউনিয়নকে ৪ উইকেটে হারিয়েছে তাদের দল। বল হাতে জয়ে অবদান রেখেছেন মাশরাফি, ব্যাট হাতে মুশফিক। ৮ ওভারের স্পেলে ২৮ রানে টপঅর্ডারের দুই প্রতিপক্ষকে সাজঘরে পাঠান ম্যাশ। ব্যাট হাতে ৭৫ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন মুশি।
মাশরাফির অনুরোধে এ ম্যাচে অধিনায়কত্ব করেছেন মুশফিক। রূপগঞ্জের অধিনায়কত্ব পেয়েও কেন তা মুশফিকের কাঁধে চাপালেন মাশরাফি? বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে ম্যাচ শেষে এসব প্রশ্নের খোলামেলা উত্তর দিয়েছেন তিনি। তাতে বেরিয়ে এসেছে মাশরাফি-মুশফিকের দারুণ রসায়নের ব্যাপারটি।
প্রশ্ন: শেষদিকে টানা কয়েকটি উইকেট পড়ে যাওয়ায় চাপে পড়েছিলেন। মুশফিক একাই শেষ করে আসলেন। অধিনায়কের ম্যাচ উইনিং পারফরম্যান্সে কতটা খুশি আপনি?
মাশরাফি: মুশফিক তো সব সময়ই অমূল্য। ওর কাছে প্রত্যাশা যেটা সেটা ও আবারো পূরণ করল। এটা নতুন কিছু না। প্রথম ম্যাচে তো একটু প্রেশার থাকে। সবকিছু গুছিয়ে নিতে একটু সময় লাগে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই শুরুতে একটু জড়তা থাকে। আশা করি পরের ম্যাচে সব ঠিক হয়ে যাবে।
প্রশ্ন: প্রচণ্ড তাপদাহের মাঝেও টানা আট ওভার বোলিং করলেন। সমস্যা হয়নি?
মাশরাফি: অধিনায়ক যেটা চেয়েছে ওটাই করেছি। বোলিং করতে সমস্যা হয়নি। বোলিং ফিটনেস তো সম্পূর্ণ আলাদা একটা জিনিস। কোন সমস্যা হয়নি।
প্রশ্ন: আপনি অধিনায়কত্ব না করার কারণ কী?
মাশরাফি: মুশফিক করছে, ঠিক আছে। তাছাড়া মুশফিকের অধীনে খেলে মজাও আছে। আমি একটু রিলাক্স পাচ্ছি। মুশফিকের তো টেস্টের পর আর অধিনায়কত্ব করা হয়নি, একটু চাঙ্গাও আছে। এখন করুক, আমি একটু রিলাক্স করি।
প্রশ্ন: জাতীয় দলে আপনার নতুন বলে বল করা কম হয় এখন। আজ বোলিংয়ে এলেন ত্রয়োদশ ওভারে। সামনে ত্রিদেশীয় সিরিজ, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। প্রিমিয়ার লিগে তারই প্রস্তুতি সারছেন কিনা?
মাশরাফি: ওটার প্র্যাকটিস না। ফিজিক্যালি বলতে পারেন একটু টায়ার্ডও আছি। এটা একটা কারণ। রেস্ট যতটা নেওয়া যায়। আবার রাতে ভাল ঘুম হয়নি। তো একটু সময় নেয়ার জন্য। অ্যাট দ্য সেম টাইম প্র্যাকটিসও হল। অনেক সময়ই তো করতে হয় ন্যাশনাল টিমে।
প্রশ্ন: মাঠে আজ প্রচণ্ড গরম ছিল। গরমের মাঝে খেলোয়াড়রা অস্বস্তিবোধ করেছেন কিনা?
মাশরাফি: আমরা যারা শ্রীলঙ্কায় খেলে দেশে ফিরেছি তাদের জন্য এই গরম সহ্য করা কঠিন না। কারণ এর চাইতে ওখানে গরম বেশি ছিল। আমাদের জন্য সহজ হলেও বাদবাকি সবার জন্য কঠিন। প্রচুর পানি খাওয়া উচিত। নিজের যত্ন নেয়া উচিত। কেননা ইনজুরি কোন প্লেয়ারের কাম্য না। সম্প্রতি বিদেশে অনেক খেলা আছে। যেকোনো সময় যে কারো ডাক আসতে পারে। তো অবশ্যই আমি চাইব সবাই যেন নিজের যত্নটা নেয়।







