ত্রিশ পেরোনো চারটি ইনিংস থাকার পরেও অজিদের কাছে হেরে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের স্বপ্নভঙ্গ হলো পাকিস্তানের। বোলারদের ব্যর্থতায় প্রলেপ দেওয়ার কাজটি ভালোই করছিলেন খালিদ লতিফ, উমর আকমল, শারজিল খান, শোয়েব মালিকরা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ২১ রানের হার নিয়ে যাত্রা শেষ তাদের। আর বড় সংগ্রহ, ফকনারের ৫ উইকেট শিকারে সেমিফাইনালে যাবার সম্ভবনা টিকিয়ে রাখলো স্মিথের অস্ট্রেলিয়া।
দলীয় সর্বোচ্চ ৪৬ রান আসে লতিফের ব্যাট থেকে। ৪টি চার ও ১ ছয়ে ৪১ বলের ইনিংসটি শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত অজিদের রানের পাহাড় টপকানো অসম্ভব মনে হচ্ছিল না। ১৫ বলে ৪৬ রানের সমিকরণে ফকনারের বলে বোল্ড হয়ে পাকিস্তানের শেষ আশাটিও হারিয়ে যায়। এছাড়াও শোয়েব মালিক ৪০, উমর আকমল ৩২ এবং শারজিল খান ৩০ রানের লড়াকু ইনিংস খেলেন।
৪ উইকেটে ১৯৩ করা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জয়ের জন্য খেলতে নামা পাকিস্তান ৮ উইকেটে ১৭২ করতে সক্ষম হয়। এ্যাডাম জাম্পা দুইটি এবং জশ হ্যাজেলউড একটি উইকেট লাভ করেন।
এর আগে টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে চতুর্থ উইকেট জুটিতে গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের সাথে ৬২ রানের জুটির পর শেন ওয়াটসনের সাথেও অপরাজিত ৭৪ রানের জুটিতে ব্যক্তিগত ৬১ রানের আগ্রাসী ব্যাটিং উপহার দিয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৯৩ রানের বড় সংগ্রহে মূল ভূমিকা রাখেন অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ। কোন ওভার বাউন্ডারি ছাড়াই দর্শনীয় ৭টি চারে ৪৩ বলের ইনিংস খেলেন অধিনায়ক।
আমির-রিয়াজরা নাস্তানুবুদ হয় অজিদের ব্যাটিং নৈপুণ্যে। বিদায়ী ম্যাচেও মনে রাখার মতো এক ইনিংস খেলে শেন ওয়াটসন ২১ বলে ৪৪ রান করেন।
শুরু থেকেই বোলারদের উপর চড়াও হয়ে খেলতে থাকা উসমান-ফিঞ্চদের ঝড়ো ধারা অব্যাহত থাকে ইনিংস শেষ পর্যন্তও। শেষ চার ওভার থেকেই স্মিথ-ওয়াটসন জুটি করেন ৪১ রান। দলের পক্ষে তৃতীয় সর্বোচ্চ ইনিংসটি গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের ২৪ বলে ৩০ রানের। ওসমান খাজা ১৬ বলে ২১ রান করেন।
পাকিস্তানের জন্য টিকে থাকার লড়াইটিতে বোলাররা ব্যর্থ হয়। দুইটি করে উইকেট লাভ করেন গতিময় ওয়াহাব রিয়াজ এবং ঘূর্ণি বোলার ইমাদ ওয়াসিম।






