চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

১৯ মার্চ মুক্তি পাচ্ছে নারগিসের ‘যৈবতী কন্যার মন’

১৯ মার্চ দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির অপেক্ষায় ‘যৈবতী কন্যার মন’ সহ আরো তিন সিনেমা…

সরকারি অনুদানে নির্মিত আলোচিত ছবি ‘যৈবতী কন্যার মন’ নিয়ে বহু কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে নির্মাতা নারগিস আক্তারকে। অবশেষে বুধবার (৩ মার্চ) ছবিটি আনকাট সেন্সর সার্টিফিকেট পেল।

খবরটি চ্যানেল আই অনলাইনকে জানিয়েছেন নারগিস আক্তার।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার দুপুরে মুঠোফোনে যখন তিনি কথা বলছিলেন তখন জানান, সেন্সর সার্টিফিকেট নিতে তিনি ওই মুহূর্তে সেন্সর বোর্ডের অফিসে অবস্থান করছেন।

২০১২-১৩ অর্থবছরে বাংলাদেশ সরকার থেকে ‘যৈবতী কন্যার মন’ চলচ্চিত্রের জন্য অনুদান গ্রহণ করেন নারগিস আক্তার। কিন্তু যথাসময়ে চলচ্চিত্রটি নির্মাণ না করতে পারায় তার বিরুদ্ধে পিডিআর অ্যাক্ট অনুযায়ি সার্টিফিকেট মামলা দায়ের হয়েছিলো।

বিজ্ঞাপন

নতুন ছবিটি নিয়ে ‘চার সতীনের ঘর’ এর এই নির্মাতা জানান, ‘যৈবতী কন্যার মন’ নিয়ে অনেক ভুগতে হয়েছে। তবে এসব নিয়ে আর ভাবতে চান না। এখন ছবিটির মুক্তি নিয়েই ভাবছেন।

ছবিটির সম্ভাব্য মুক্তির তারিখ হতে পারে ১৯ মার্চ। এমনটা জানিয়ে নারগিস আক্তার বলেন, যেহেতু সেন্সর পেয়ে গেছি, এখন নিজেদের পরিকল্পনা করে সিনেমা হলে মুক্তি দিতে চাই। এখন পর্যন্ত আগামি ১৯ মার্চকেই টার্গেট করেছি। সব ঠিক থাকলে এই দিনেই ‘যৈবতী কন্যার মন’ ছবিটি মুক্তি দিতে চাই।

অভিনেতা গাজী আব্দুন নূরের সাথে নির্মাতা নারগিস আক্তার

নাট্যকার সেলিম আল দীনের লেখা বিখ্যাত নাটকের একটি ‘যৈবতী কন্যার মন’। এটি অবলম্বনেই নারগিস আক্তার নির্মাণ করেছেন ছবিটি। এতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন গাজী আব্দুন নূর ও সায়ন্তনী দত্ত। পাশাপাশি গাজী রাকায়েত ও গোলাম ফরিদা ছন্দা সহ অন্যান্যরা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অভিনয় করেছেন।

প্রসঙ্গত, করোনাকালীন মন্দা অবস্থা কাটিয়ে গতি ফিরেছে সবকিছুতে। তবে দেশের প্রেক্ষাগৃহের অবস্থা এখনও করুণ। তবে চলতি মার্চে শোনা যাচ্ছে, বেশকিছু নতুন সিনেমা মুক্তি পাচ্ছে। এরমধ্যে ১৯ তারিখেই মুক্তির তালিকায় আছে অলাতচক্র, গন্তব্য ও স্ফুলিঙ্গর মতো ছবি।

বিজ্ঞাপন