চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

স্বাধীনতার ৫০, চ্যানেল আই’র ২৩

স্বাধীনতার ৫০-এ ২৩-এ পদার্পন করলো চ্যানেল আই। কিন্তু বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে জন্মদিনের বর্ণিল আয়োজন হচ্ছে না এবার। তবে ডিজিটাল মাধ্যমে চ্যানেল আইকে জন্মদিনের শুভেচ্ছায় ভাসিয়েছেন দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষ নেতারা। শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

চ্যানেল আইয়ের জন্মদিন মানেই প্রধান প্রধান সংবাদপত্রে বিশেষ ক্রোড়পত্র। স্বাধীনতার ৫০এ চ্যানেল আইয়ের ২৩ ও তার ব্যতিক্রম নয়। দেশের প্রধান প্রধান সংবাদপত্রগুলো পুরো পৃষ্ঠা রঙিন বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করেছে। ক্রোড়পত্রে দেশের প্রথম ডিজিটাল চ্যানেলের তেইশ বছরে পদার্পণে দর্শকশ্রোতা, কলাকুশলি ও শুভানুধ্যায়ীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেছেন, ‘প্রতিষ্ঠার পর থেকে চ্যানেল আই মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে বিভিন্ন অনুষ্ঠান নির্মাণ ও প্রচার করে আসছে। দেশের কৃষি উন্নয়ন, গ্রামনির্ভর অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের অগ্রযাত্রায় ‘চ্যানেল আই’ এর প্রচেষ্টা প্রসংশনীয়। পরিবেশ ও প্রকৃতি সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে যাচ্ছে চ্যানেল আই।’

রাষ্ট্রপতি আবদুল হাামিদ

প্রধানমন্ত্রী অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে আশা করেন, চ্যানেল আই বিগত দিনের মতো বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ ও রুচিশীল অনুষ্ঠান প্রচারের মাধ্যমে আবহমান বাঙালির সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে সমুন্নত রাখবে। জাতির পিতার স্বপ্নের বাংলাদেশ অর্জনে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ  মনে করেন, দায়বদ্ধতার সাথে সংবাদ ও অনুষ্ঠান প্রচারের মাধ্যমে বরাবরের মতো কল্যাণ ও আনন্দের বার্তা দেশ ও বিশ্বময় পৌঁছে দেবে চ্যানেল আই। এছাড়া শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান।

ক্রোড়পত্রে ‘আমার চ্যানেল আই’ শিরোনামে বিশেষ নিবন্ধ লেখেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা। তিনি লেখেন, কীভাবে তিনি চ্যানেল আইয়ের চোখ দিয়ে দেখেন বাংলার কৃষি, নিশি, প্রেম, সাহিত্য, নদী, বাঙালির যাপিত জীবনের সকল অভিব্যক্তি। বাংলাদেশের টেলিভিশন জগতের অনেক প্রথম অনুষ্ঠানের জনক চ্যানেল আই তাই ২৩শে অদম্য এক চ্যানেল বলে মনে করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

বিজ্ঞাপন

চ্যনেল আইয়ের জন্মদিনে দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষ নেতারা। বিভেদ ভুলে হৃদয়ে বাংলাদেশ ধারণ করা চ্যানেল আইয়ের জন্মদিন প্রতিবছরই যেন হয়ে উঠে রাজনীতিবীদের এক মিলন মেলায়। শুভেচ্ছায় ভাসিয়েছেন, দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষ নেতারা।

শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বলেছেন: দীর্ঘ সময়ের পথচলায় স্যাটেলাইট চ্যানেল হিসেবে চ্যানেল আই স্বতন্ত্র ধারা সৃষ্টি করেছে। অনুষ্ঠান ও সংবাদের পাশাপাশি দেশের কৃষি ব্যবস্থা উন্নয়নে অবদান রেখে চলেছে। আগামী দিনগুলোতে চ্যানেল আই মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে তাদের প্রয়াস আরও বেগবান করবে বলে আমাদের প্রত্যাশা।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর চ্যানেল আইয়ের জন্মদিনে শুভেচ্ছা বার্তায় বলেছেন: এদেশের ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার নেতৃত্ব প্রদান করেছে চ্যানেল আই। গুণগত কিছু পরিবর্তনও তারা নিয়ে এসেছিলো, বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও প্রচারণার মধ্যদিয়ে। সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রেও চ্যানেল আই যথেষ্ট বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করে। চ্যানেল আইয়ের জন্মদিনে সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের তার শুভেচ্ছা বার্তায় বলেছেন: চ্যানেল আইয়ের খবর, চ্যানেল আইয়ের বিভিন্ন অনুষ্ঠান সূচি-খেলাধুলা সম্পর্কিত বিষয়, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ, টকশো সবগুলোই সারাদেশে বহুল প্রচারিত এবং সাধারণ মানুষ এগুলো ঘরে ঘরে দেখে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সকলের প্রত্যাশা, করোনা মুক্ত বিশ্বে স্বাভাবিক জীবনে ফিরবে সবাই। অতীতের মতো সবাইকে নিয়ে বর্ণিল আয়োজন হবে চ্যানেল আইয়ের আগামীর জন্মদিনে।

চ্যানেল আইয়ের পরিচালনা পর্ষদের ৭ সদস্যের পক্ষ থেকে দর্শকশ্রোতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর এবং পরিচালক ও বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজ। ২২ বছরের মতো আগামীর দিনগুলোতে সারা পৃথিবীর ত্রিশ কোটি বাঙালির সৃজনশীল কাজের সাথে আস্থা ও বিশ্বাস নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার প্রকাশ করেছেন তারা।

বিজ্ঞাপন