চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

স্বাগতম জননেতা ওবায়দুল কাদের

দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে দেশের মানুষ যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার মধ্যে ছিলেন, শেষ পর্যন্ত সেই উদ্বেগের অবসান হয়েছে। কারণ, সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা দেশে ফিরেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তার এই প্রত্যাবর্তনে তাকে আমরা স্বাগত জানাই। জননেতা ওবায়দুল কাদেরের প্রত্যাবর্তনে আওয়ামী লীগ ও দেশের মানুষ স্বস্তি ফিরে পেয়েছেন। সুস্থ হয়ে রাজনীতিতে ফেরার জন্য তাকে অভিবাদন।

বিজ্ঞাপন

আওয়ামী লীগের মত একটি বৃহত্তর সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক থাকাকালে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বহুদিন দেশের মূলধারার রাজনীতির বাইরে ছিলেন। জাতীয় রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তার নীরবতা আমাদের ব্যথিত করেছে। আমরা আশাবাদী ছিলাম তিনি সুস্থ হয়ে ফিরবেন।

বিজ্ঞাপন

গত ৩ মার্চ ভোরে ঢাকায় নিজ বাসায় শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন ওবায়দুল কাদের। দিনভর উৎকন্ঠা শেষে পর দিন ভারতের স্বনামধন্য হৃদরোগ সার্জন দেবী শেঠির পরামর্শে ৪ মার্চ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে যোগে তাকে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে ৩৩ দিন চিকিৎসা শেষে ৫ এপ্রিল ছাড়পত্র পান তিনি। ২০ মার্চ ওবায়দুল কাদেরের বাইপাস সার্জারি হয়।

হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার পর তাকে কিছু নিয়মিত চেকআপ করার জন্য সিঙ্গাপুর থাকতে হয়েছে। প্রায় দুই মাস ১০ দিন পর সম্পূর্ণ সুস্থ অবস্থায় দেশে ফিরছেন নতুন আশার আলো নিয়ে। রাজনীতিতে সদা সক্রিয় ওবায়দুল কাদের আবারও সবার মাঝে তার সেই তেজস্বী ও তীক্ষ্ম বক্তৃতার মধ্য দিয়ে জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন বলেই আমরা বিশ্বাস করি।

আমরা মনে করি, ওবায়দুল কাদের তার ত্যাগী রাজনৈতিক আদর্শ নিয়ে আবারও নিজের জীবনকে রাজনীতির কল্যাণে উৎসর্গ করবেন। দেশের রাজনীতি সচেতন মানুষের মনে আশার সঞ্চার করে তিনি দেশের কাজে নতুন উদ্দীপন সঞ্চার করবেন। দেশ ও দেশের মানুষের স্বার্থে আমরা তার সুস্বাস্থ্য এবং দীর্ঘায়ু কামনা করি।