চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

স্বস্তি ফিরেছে পেঁয়াজ, আলু ও ডিমে

মৌসুম শুরু হওয়ায় কিছুটা কমেছে পেঁয়াজ ও নতুন আলুর দাম। এক সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম ১০ থেকে ১৫ টাকা আর আলুর দাম ১০ টাকা কমেছে। এছাড়া ডিমের ডজনেও দাম কমেছে ১০ টাকা।

শুক্রবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারসহ কয়েকটি বাজারে খোঁজ নিয়ে এই তথ্য জানা গেছে।

বিজ্ঞাপন

ব্যবসায়ীরা বলেছেন: পণ্যের সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় এখন দাম কমতে শুরু করেছে।

বাজারে এখন দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা। যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছিল ৬০ থেকে ৭০ টাকায়। আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ৩০ থেকে ৪০ টাকা।

এছাড়া বাজারে এখন মুড়িকাটা পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। যা গত সপ্তাহে ছিল ৬০ টাকা।

কারওয়ান বাজারের পেঁয়াজ বিক্রেতা দুলাল হোসেন বলেন: গত কয়েক দিন ধরে ফরিদপুর অঞ্চলের নতুন মৌসুমের মুড়িকাটা পেঁয়াজ বাজারে আসছে। তাছাড়া বাজারে এখন পর্যন্ত পর্যাপ্ত পরিমাণে নতুন পেঁয়াজ আসছে। নতুন পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়ায় দাম কমেছে। কয়েকদিনের মধ্যে আরো কমে যাবে পেঁয়াজের দাম।

বিজ্ঞাপন

পেঁয়াজের মত দাম কমেছে নতুন আলুরও। বাজারে এই পণ্যটির সরবরাহ বেড়েছে। ফলে গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে দাম ১০ টাকা কমে নতুন আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায়। যা এতদিন বিক্রি হচ্ছিল ৫০ থেকে ৫৫ টাকা কেজি দরে। তবে পুরাতন আলুর কেজি আগের মতোই বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায়।

কারওয়ান বাজারের আলু ব্যপারি জাহাঙ্গির আলম বলেন, বাজারে আলুর সংকট থাকায় দাম বেশি ছিল। এখন নতুন আলু আসছে। প্রতিদিনই আলুর সরবরাহ বাড়ছে। আ কারণে দাম কমতির দিকে।

পেঁয়াজ ও আলুর মত দাম কমেছে ডিমেরও। সপ্তাহের ব্যবধানে ডিমের দাম ডজনে কমেছে ১০ টাকা। গত সপ্তাহে ৯৫ টাকা ডজন বিক্রি হওয়া ডিম এখন পাওয়া যাচ্ছে ৮৫ টাকায়।

তবে আমদানি করা আদা ও রসুনের দাম বেড়েছে। গত এক সপ্তাহে চীনা রসুনের দাম কেজিতে ৭০ টাকা থেকে বেড়ে ৯০ টাকা হয়েছে। আর দেশি রসুন বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়।

চীনা আদার দাম এক সপ্তাহে ২০ টাকা বেড়ে হয়েছে ১৬০ টাকা। আর দেশি নতুন আদা প্রতিকেজি পাওয়া যাচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকায়।

সবজির বাজারে তেমন হেরফের দেখা যায়নি। মানভেদে শিমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৫০ টাকা। ২০ থেকে ২৫ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে এক পিচ ফুলকপি বা বাঁধাকপি। মুলার কেজি পাওয়া যাচ্ছে ১০ থেকে ১৫ টাকায়। ৪০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে বড় লাউ। এছাড়া শশা ও গাজরের কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, বেগুনের কেজি ৩০ থেকে ৪০ টাকা, করলার কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর কাঁচা মরিচ প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকায়।