চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

সুপার ওভারের রোমাঞ্চে জিতল চট্টগ্রাম

টানা চতুর্থ হার খুলনার

হারের হ্যাটট্রিক করার পর অবশেষে জয়ের মুখ দেখতে যাচ্ছিল খুলনা টাইটানস। বিপিএলের ষষ্ঠ আসরে নিজেদের চতুর্থ ম্যাচে এসে সুপার ওভারে লড়াই টেনে নিয়েও হেরেছে তারা। শনিবার আসরের ১১তম ম্যাচে মুশফিকুর রহিমের ভাইকিংসের কাছে সুপার ওভার রোমাঞ্চে জয় থেকে ১ রান দূরে আটকে গেছে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের টাইটানস।

প্রথমে ব্যাট করে ৬ উইকেটে ১৫১ রান তোলে খুলনা টাইটানস। জবাবে নির্ধারিত ওভারে ৭ উইকেটে ১৫১ রানই তোলে ভাইকিংসও। শেষ ওভারে দরকার ছিল ১৯ রান। তারা তুলতে পারে ১৮। শেষ বলে এক লাগলেও রানআউট হয়ে যান রবি ফ্রেইলিঙ্ক। ম্যাচ তখন টাই। বিপিএলের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে।

জুনায়েদ খানের করা সুপার ওভারে প্রথম ব্যাট করে চট্টগ্রাম ভাইকিংস এক উইকেটে তোলে ১১ রান। ২ বলে চার রান করে বোল্ড হন ফ্রেইলিঙ্ক। পরে এক উইকেট হারিয়ে ১০ রান তুলতে পারে খুলনা। ফলে প্রথম চার ম্যাচের চারটিতেই হারল দলটি।

দেড়শ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ঝাঁঝালো শুরু হয়নি ভাইকিংসের। এই ম্যাচে নিজেকে খুঁজে পাননি ওপেনার মোহাম্মদ শাহজাদ। ১০ বল খেলে ১০ রানের বেশি করতে পারেনি আফগানিস্তান তারকা।

Advertisement

ইয়াসির আলীকে নিয়ে এগোচ্ছিলেন ক্যামেরন ডেলপোর্ট। তিনিও ফেরেন ১৭ রানে। তৃতীয় উইকেট জুটিতে মুশফিকুর রহিম ও ইয়াসির আলী মিলে জয়ের পথেই হাঁটছিলেন। কিন্তু হঠাৎ ছন্দ হারিয়ে ফেরেন ইয়াসির। ৩১ বলে সমান দুই চার ও ছক্কায় ৪১ রান করেন।

চূড়ান্তভাবে হতাশ করেন সিকান্দার রাজা। চার বল মোকাবেলা করে কোনো রানই করতে পারেননি জিম্বাবুয়ের ব্যাটসম্যান। ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েটের বলে বোল্ড হন। ব্যর্থ হন মোসাদ্দেক হোসেনও। শেষ মুহূর্তে ব্যাট করেও ১২ রান করতে ১২ বল মোকাবেলা করেন। তিনি বোল্ড হন শরিফুল ইসমলামের বলে।

অধিনায়ক মুশফিক ফিরতেই চট্টগ্রামের আশা ফিকে হয়ে যায়। ব্র্যাথওয়েটের বলে শরিফুলের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। ২৬ বলে ৩৪ রান করেন ভাইকিংস অধিনায়ক। শেষ বলে রানআউট হওয়ার সময় ফ্রেইলিঙ্ক থাকেন ১৩ বলে ২৩ রানে। পাঁচ বলে ৮ রানে অপরাজিত থাকেন নাঈম হাসান।

খুলনার হয়ে দুটি করে উইকটে নেন ব্র্যাথওয়েট ও শরিফুল ইসলাম।

এর আগে মালানের ৪৫ রানে নির্ধারিত ওভারে ৬ উইকেটে ১৫১ রান তোলে খুলনা