কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে কিছু অসাধু গরু ব্যবসায়ী কৃত্রিম উপায়ে গরু মোটাতাজাকরণ করে থাকে। তবে সুমানগঞ্জের গরু ব্যবসায়ীরা গরু মোটাতাজাকরণ করছে দেশীয় পদ্ধতিতে।
প্রতি বছরই ঈদ এলে গরু বিক্রি করে বাড়তি আয় করে এই জেলার কৃষকরা। সুনামগঞ্জের সদর ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার সুরমা নদীর উত্তর পাড়ের প্রায় প্রতিটি গ্রামের কৃষক দেশীয় পদ্ধতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। প্রতিটি পরিবার ঈদকে সামনে রেখে তাই একটি দুইটি গরু মোটাতাজা করে থাকে।
সুনামগঞ্জের প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা আজহার আলী বলেন, এই এলাকায় পর্যাপ্ত ঘাস থাকায় গরুর খাদ্যের জন্য চিন্তা করতে হয় না। পাশাপাশি খৈইল, গুড়া, চিটাও রয়েছে খাদ্য হিসেবে। তাই এই অঞ্চলের কৃকষদের মোটাতাজা করতে কৃত্রিম কোনো পদ্ধতি নেওয়ার দরকার হয় না।
তাই দেশীয় পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজাকরণ করায় অন্য অঞ্চলের তুলনায় এই অঞ্চলের গরুর চাহিদা অনেক বেশি। সেজন্য গরুর দামও বেশি পান তারা।







