২০১০ সালে তার অ্যালবাম গ্র্যামি অ্যাওয়াডের জন্য মনোনীত হয়। পিতামহ বিভূতিরঞ্জন মজুমদারের কাছে ম্যান্ডোলিন দিয়ে সংগীতের হাতেখড়ি, পরে পিতা রঞ্জন মজুমদারের কাছ থেকে সংগীতে তালিম নেন। এরপর একাধারে তিনি ওস্তাদ বাহাদুর খান, পণ্ডিত অমরেশ চৌধুরী, অনিল পালিত, পন্ডিত অজয় সিনহা রায়, ওস্তাদ আলী আকবর খান এবং পণ্ডিত রবি শঙ্করের মতো উল্লেখযোগ্য সংগীতজ্ঞের সাহচর্যে আসেন তিনি।
বেঙ্গল এর উচ্চাঙ্গসংগীত উৎসবের সর্বশেষ আসরে সরোদে ঝড় তুলেছিলেন সেই পন্ডিত তেজন্দ্র নারায়ণ মজুমদার। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৭তম জন্মদিন উপলক্ষে সরোদে রবীন্দ্র সঙ্গীতের ঝংকার তুলবেন এই সঙ্গীতজ্ঞ। ভিন্ন ধরনের দুটি অ্যালবাম প্রকাশ হতে যাচ্ছে। একটি হলো শাস্ত্রীয় পণ্ডিত ভারতীয় শিল্পী তেজেন্দ্র নারায়ণ মজুমদারের ‘সরোদে রবীন্দ্রসংগীত ’ ও অপরটি রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী শিমু দে’র পাশ্চাত্যের সুরে ‘সাগর পাড়ের সুর’।
ধানমন্ডির ছায়ানট মিলনায়তনে আগামী ১০ মে সন্ধ্যা ৭টায় আনুষ্ঠানিক মোড়ক উন্মোচিত হবে তেজেন্দ্র নারায়ণ মজুমদারের অ্যালবামের। মোড়ক উন্মোচন করবেন বরেণ্য শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার। অনুষ্ঠানে পণ্ডিত তেজেন্দ্র নারায়ণ মজুমদার সরোদে রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করবেন। তবলায় থাকবেন শিল্পী স্বরূপ হোসেন।
‘সরোদে রবীন্দ্রসংগীত’অ্যালবামে সংকলিত গানের তালিকায় রয়েছে প্রথম আদি তব শক্তি, মহারাজ, একি সাজেন এলে, আজি যত তারা তব আকাশে, আজি বিজন ঘরে, নীল অঞ্জন ঘন পুঞ্জ ছায়ায়, এবার তোর মরা গাঙে, যে ছিল আমার স্বপনচারিণী ও .মোর বীণা ওঠে।










