চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ
Partex Cable

শুরুতে কারা পাবে ফাইজারের করোনা ভ্যাকসিন?

Nagod
Bkash July

নিজেদের তৈরি করোনাভাইরাস ভ্যাকসিনের ৯০ শতাংশের বেশি সুরক্ষা দিতে পারে বলে দাবি করেছে মার্কিন সংস্থা ফাইজার ও বায়োএনটেক। বিবিসি বলছে: বিশ্বের ৬টি (যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, দক্ষিণ আফ্রিকা ও তুরস্ক) দেশে ৪৩ হাজার ৫০০ জনের দেহে এই ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা পরীক্ষায় কোনো রকম ঝুঁকি দেখা যায়নি।

সবার আগে কারা এই ভ্যাকসিন পেতে যাচ্ছে?

বিবিসি বিশ্লেষণে বলা হচ্ছে, এই ভ্যাকসিন কারা পাবে তা বয়স বিবেচনার ওপর নির্ভর করে। আর যারা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকে তারা অগ্রাধিকার পাবে।

সাধারণত যুক্তরাজ্যে প্রাথমিক অগ্রাধিকার তালিকায় শীর্ষে রয়েছে বয়স্ক কেয়ার হোমের বাসিন্দা এবং সেখানকার কর্মচারীরা। তাদের পরে স্বাস্থ্যকর্মী তথা হাসপাতালের কর্মীরা এগিয়ে থাকেন। এরপর মূলত বয়স অনুসারে ঝুঁকিপূর্ণ ও নানা ঝূঁকিপূর্ণ রোগে আক্রান্তরা স্থান পান।

অগ্রাধিকার তালিকার সবার নিচের দিকে মূলত ৫০ বছরের কম বয়সী লোকদের নাম রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সেস, ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড মেডিসিনের প্রস্তাব অনুসারে পাঁচ দফায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অধিবাসীদের করোনাভাইরাস টিকা দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে-যেমন- স্বাস্থ্য ও জরুরি সেবায় নিয়োজিত কর্মী, দুরারোগ্য ও জটিল রোগে আক্রান্ত ও বয়স্ক ব্যক্তি, নিত্য প্রয়োজনীয় সেবাখাতের কর্মী, পূর্ণবয়স্ক তরুণ, শিশু এবং জরুরি পণ্য সরবরাহে নিয়োজিত কর্মী এবং সবশেষে গণ-টিকার আওতায় নাগরিকরা।

বিজ্ঞান ও মানব সমাজের জন্য এটি বড় সাফল্য বলে দাবি করেছে ফাইজার ও বায়োএনটেক। চলতি মাসের শেষের দিকে জরুরি প্রয়োজনে তারা এই ভ্যাকসিন ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে।

তারা আশা করছে যে, এবছরের শেষের দিকে পাঁচ কোটি ভ্যাকসিন সরবরাহ করতে পারবে। আগামী বছরের শেষ নাগাদ ১৩০ কোটি ভ্যাকসিন তৈরির কথা বলছে। তবে এই ভ্যাকসিন সংরক্ষণের জন্য একটি সমস্যা হলো, এটি মায়নাস ৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় রাখতে হবে।

বিশ্বে অনেক দেশের ঔষুধ কোম্পানি করোনা ভ্যাকসিন আবিষ্কারে কাজ করছে। কিন্তু এর মধ্যে ফাইজার ও বায়োএনটেকের অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা গেলো।

বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এই ভ্যাকসিনে অন্য ভ্যাকসিন থেকে একেবারে ব্যতিক্রমধর্মী পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে, যাতে মানবদেহের রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থাকে প্রশিক্ষিত করে তোলার জন্য ভাইরাসের জেনেটিক কোড শরীরে ইনজেক্ট করা হয়। যা আগে কখনো ব্যবহৃত হয়নি।

তিন সপ্তাহের ব্যবধানে এই ভ্যাকসিনের দুটি ডোজ দিতে হয়।

তবে তারা এটাও বলছেন যে, এই ভ্যাকসিনের গবেষণা এখনো চূড়ান্তভাবে শেষ হয়নি। আরও গবেষণা অব্যাহত রয়েছে।

BSH
Bellow Post-Green View
Bkash Cash Back