চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে বিজয় ছিনিয়ে নিতে শেষ মুহূর্তের লড়াই

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আর মাত্র একদিন বাকি। ট্রাম্প-বাইডেন শেষ পর্যন্ত মার্কিনীদের কী চমক দেখাবেন সেটা দেখার জন্য অপেক্ষা করছে গোটা দেশ ও বিশ্ব।

এবারের নির্বাচনের সব সমীকরণ উল্টে দিয়ে গতবারের মতো এবারও চমক দিতে চাইছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড টাম্প। ৩ নভেম্বর চূড়ান্ত বিজয় ছিনিয়ে নিতে শেষ মুহূর্তের প্রচারে এখন তাই মরিয়া ট্রাম্প শিবির।

বিজ্ঞাপন

এ লক্ষ্যে দু’দিনের ব্যাপকভিত্তিক প্রচারে নেমেছে তারা। শেষ মুহূর্তে মূলত ব্যাটল গ্রাউন্ড বা রণক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত অঙ্গরাজ্যগুলোর ওপর জোর দিচ্ছেন ট্রাম্প। শনিবার পেলসিলভানিয়ায় চারটি সমাবেশে অংশ নেন তিনি।

জনমত জরিপের ফলকে মিথ্যা প্রমাণ করে, পিছিয়ে থাকা অবস্থা থেকে জয় ছিনিয়ে আনার লক্ষ্যে দোদুল্যমান অঙ্গরাজ্যগুলোতে শেষ দুদিনের প্রচার শুরু করেছেন ট্রাম্প।

বিজ্ঞাপন

রোববার থেকে শুরু হওয়া প্রচারে রিপাবলিকান প্রার্থী সেইসব অঙ্গরাজ্যে সমাবেশ করেন, যেগুলোর ফলের ওপর নির্ভর করছে আরও চার বছর তার হোয়াইট হাউসে থাকা হবে নাকি জর্জ বুশের পর তিনিই হতে যাচ্ছেন প্রথম মার্কিন প্রেসিডেন্ট যিনি এক মেয়াদের বেশি টিকতে পারলেন না।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রে মহামারি মোকাবেলায় ট্রাম্পের অদক্ষতাকে প্রচারের মূল হাতিয়ার বানানো বাইডেন রোববার সারাদিন পেনসিলভানিয়ায় র‌্যালি ও সমাবেশ করেন। শেষ দু’দিনের প্রচারে ট্রাম্পের মোট ১০টি সমাবেশে অংশ নেয়ার কথা রয়েছে। দিনে পাঁচটি করে।

মিশিগানের গ্র্যান্ড রেপিডসে রাতের সমাবেশের মধ্য দিয়ে ট্রাম্পের প্রচার আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হবে। একই জায়গায় ২০১৬ সালের নির্বাচনী প্রচারও শেষ করেছিলেন ট্রাম্প। চার বছর আগের ওই নির্বাচনে রিপাবলিকান এ প্রার্থী মিশিগান, পেনসিলভানিয়া ও উইসকনসিনের মতো কয়েক দশক ধরে ডেমোক্র্যাটদের স্তম্ভ হিসেবে পরিচিত অঙ্গরাজ্যগুলোতে জিতে বিপক্ষ শিবিরকে স্তম্ভিত করে দিয়েছিলেন।

মধ্যাঞ্চলীয় উইসকনসিন ও মিশিগান রাজ্যে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেন। তবে অ্যারিজোনা ও নর্থ ক্যারোলাইনায় দুজনের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। ২০১৬ সালের নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্প এই চারটি অঙ্গরাজ্যের সবগুলোতেই বিজয়ী হয়েছিলেন। এর যেকোনো একটিতে হারলে ট্রাম্পের জন্য ২৭০টি ইলেক্টোরাল ভোট সংগ্রহ করা কঠিন হয়ে পড়বে। এসব রাজ্যকে বলা হচ্ছে ব্যাটলগ্রাউন্ড। মূলত এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে উল্লিখিত এই চারটিসহ মোট আট রাজ্যে।