চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

মিডিয়ায় ১৫ বছর নিষিদ্ধ ছিলেন অমিতাভ!

মেগাস্টার অমিতাভ বচ্চন বক্স অফিস মাতিয়ে রাখেন এই বয়সেও। ভক্তরা অপেক্ষায় থাকেন তার ছবি মুক্তির। নির্মাতারা মুখিয়ে থাকেন তার সময় পাওয়ার জন্য। অথচ এই তারকাকেই ১৫ বছর ধরে নিষিদ্ধ করেছিল মিডিয়া!

এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানালেন অভিনেতা। সত্তরের দশকের কথা। জানজির, দিওয়ার, শোলে ছবির মাধ্যমে অমিতাভ জনপ্রিয়তা পাওয়া শুরু করেছিলেন। তখনই নিষিদ্ধ করা হয় অভিনেতাকে। তাও চমকে যাওয়ার মতো এক কারণে।

বিজ্ঞাপন

ইন্দিরা গান্ধীর শাসনকালে ভারতে ১৯৭৫ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত জরুরি অবস্থা জারি ছিল। গান্ধী পরিবারের সাথে বচ্চন পরিবারের সম্পর্ক খুব ভালো ছিল। বিশেষ করে রাজীব গান্ধীর সঙ্গে খুব ভালো বন্ধুত্ব ছিল অমিতাভের। বন্ধুর খাতিরে অভিনেতা এলাহাবাদে নির্বাচনে দাঁড়িয়ে জিতেও গিয়েছিলেন।

ইন্দিরা গান্ধীর সমালোচনা করায় সেই সময়ে ভারতের অনেক ম্যাগাজিন এবং চ্যানেল নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। সেন্সরের আওতায় আনা হয়েছিল অন্য ম্যাগাজিনগুলোকে।

গান্ধী পরিবারের সঙ্গে অমিতাভের সখ্য থাকায় তাকে নিয়ে বেশ কিছু ম্যাগাজিনে সমালোচনা করা হচ্ছিল। প্রভাব খাটিয়ে একটি ম্যাগাজিন বন্ধ করার চেষ্টা করেছিলেন অমিতাভও। ফলে ম্যাগাজিনগুলোর সঙ্গে অমিতাভের সম্পর্ক খারাপ হয়ে যায় এবং তারা এই মেগাস্টারকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন! তবে কিছুদিন পরেই অমিতাভ বচ্চন একটি দুর্ঘটনার শিকার হন এবং তখন ম্যাগাজিনগুলোতে অভিনেতার খবর প্রকাশ পায়।

ম্যাগাজিনগুলোতে অমিতাভ বচ্চনের খবর না পাওয়ায় প্রচারণার অভাবে বক্স অফিসে সুবিধা করতে পারছিলেন না অভিনেতা। এরপর সেই ম্যাগাজিনের সাথে সমঝোতায় আসার জন্যে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে বৈঠকে বসেন অমিতাভ এবং পরিস্থিতি ঠিকঠাক করে ফেলেন।

নিষিদ্ধ হওয়ার এই বিষয়টি অভিনেতা তার ব্লগে বিস্তারিত জানিয়েছেন। মিডিয়ায় নিষিদ্ধ থাকায় দিওয়ার, শারাবি, মুকাদ্দার কা সিকান্দার, লাওয়ারিশ, বেমিশাল সহ আরও অনেক সিনেমা বক্স অফিসে ব্যবসা করতে পারেনি। -কইমই