চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

‘মাহমুদউল্লাহ যা করেছে তা অপ্রত্যাশিত’

বিসিবিকে না জানিয়েই টেস্ট থেকে একরকম অবসর নিয়ে ফেলেছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না দিলেও জিম্বাবুয়ে সফরে সিরিজের একমাত্র টেস্ট চলাকালীন সতীর্থদের দেয়া ‘গার্ড অব অনার’ এমনই প্রমাণ করে।

মাহমুদউল্লাহর আকস্মিক অবসরের সিদ্ধান্তে এখনো সায় দেয়নি বিসিবি। দেশে ফিরে টি-টুয়েন্টি অধিনায়ক জানিয়েছিলেন, এ বিষয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করবেন শিগগিরই। অনেক সময় গড়িয়ে গেলেও স্পষ্ট হওয়া যায়নি তার অবসর প্রসঙ্গে।

বুধবার বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের কাছে এ ব্যাপারে জানতে চাইলেন সাংবাদিকরা, ‘মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ কিন্তু টেস্ট দলে ছিল না। ওকে আমার বাসায় নিয়ে বসেছিলাম। জিজ্ঞেস করেছি বারবার, টেস্টে সে আগ্রহী কিনা। জানা মতে সে সবচেয়ে উপযুক্ত টেস্টে, তিন সংস্করণের মধ্যে। সে আমাকে প্রতিবার বলেছে খুব আগ্রহী টেস্ট খেলতে। আমরা বলেছিলাম কে কোন সংস্করণ খেলবে জানাও, সে লিখে দিয়েছে টেস্ট খেলবে যদি দলে নেয়া হয়।’

বিজ্ঞাপন

‘এতকিছুর পর তাকে যখন জিম্বাবুয়েতে পাঠানো হল, সে কিন্তু দেরিতে অন্তর্ভুক্ত ছিল। সে যখন ঘোষণাটা দিল, এটা একেবারে অপ্রত্যাশিত ছিল। তামিমের সঙ্গে এটা মেলাতে পারছি না। তামিমেরটা (টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে সরে যাওয়া) আমাদের জানা ছিল। রিয়াদেরটা অপ্রত্যাশিত ছিল। এভাবে উচিত নয়। এভাবে আকস্মিক কোনো খেলোয়াড় ঘোষণা দিতে পারে না।’

অফফর্মের কারণে টেস্ট ফরম্যাট থেকে বাদ পড়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ। ১৬ মাস পর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট খেলার সুযোগ হয়। সুযোগ কাজে লাগিয়ে প্রথম ইনিংসে খেলেন ১৫০ রানের অপরাজিত ইনিংস। এমন ইনিংস খেলার পরদিনই টেস্ট থেকে অবসরের ঘোষণা দিতে চেয়েছিলেন টাইগার অলরাউন্ডার।

বিসিবির মধ্যস্থতায় শেষ পর্যন্ত আর ঘোষণা দেননি। যদিও ড্রেসিংরুমে সতীর্থদের অবসরের সিদ্ধান্তের কথা স্পষ্ট করেই জানিয়ে দিয়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ। মাঠে নামার সময় তাই তাকে দেয়া হয় গার্ড অব অনারও।

বিজ্ঞাপন