চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী এবং উপ-মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ

চার দিনের মাথায় মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ এবং তার সহযোগী উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার পদত্যাগ করেছেন।

ভারতের সুপ্রিমকোর্ট তাদেরকে আস্থা ভোটের মুখোমুখি হওয়ার আদেশ দেওয়ার ঠিক পরে এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকের পরে এই পদত্যাগের ঘোষণা দেন ফড়নবিশ।

পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে সাংবাদিকদের ফড়নবিশ বলেন, অজিত পাওয়ার আমাকে তার পদত্যাগপত্র দিয়েছেন। প্রথমদিন থেকেই বিজেপি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো, আমরা কোনো ঘোড়া কেনাবেচায় যুক্ত থাকবো না। আমরা সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। কারণ, এনসিপি আমাদের সঙ্গে ছিলো। যখন অজিত পাওয়ার পদত্যাগ করেছেন, আমিও পদত্যাগ করবো।

তিনি আরও বলেন, বিজেপি জনরায় পেয়েছে। মানুষের রায় অনুযায়ী আমরা সরকার গঠনে চেষ্টা করেছিলাম। তবে শিবসেনা মনে করেছে, এটা সংখ্যার খেলা। আমরা মনে করি তাদের দর কষাকষির ক্ষমতা বাড়তে পারে। এর বেশি কিছু নয়।

বিজ্ঞাপন

একদিন আগে পড়নবিশকে আস্থা ভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের নির্দেশ দেয় সুপ্রিমকোর্ট। তার ঠিক পরেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

বৈঠকে মহারাষ্ট্রে দলের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেখানে দেবেন্দ্র ফড়নবিশের পদত্যাগ করা উচিত, নাকি আস্থা ভোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করা উচিত তা নিয়েও কথা হয়। তবে বিজেপির পক্ষে মহারাষ্ট্র বিধানসভায় আস্থা ভোটে জয়লাভ করা কঠিন।

গত শনিবার সকালে ৭.৫০টায় আকস্মিক শপথ গ্রহণ করেন ফড়নবিশ এবং অজিত পাওয়ার। যেটিকে অগণতান্ত্রিক ও অসাংবিধানিক বলে সুপ্রিম কোর্টের চ্যালেঞ্জ জানানো হয়।

২৮৮ সদস্যের বিধানসভায় বিজেপি ১০৫টি আসন জিতেছে। সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য দরকার ছিলো আরও ৪০টি আসন। তার জন্য তারা এনসিপির সঙ্গে জোট করে।

বিজ্ঞাপন