চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ভারতের সাথে সীমান্ত বন্ধ রাখার আহ্বান

করোনাভাইরাসের ট্রিপল মিউটেশনের সংক্রমণ ঠেকাতে জনস্বাস্থ্য সংগ্রাম পরিষদের এ আহ্বান

করোনাভাইরাসের ট্রিপল মিউটেশনের সংক্রমণ ঠেকাতে ভারতের সাথে ৩০ দিন সীমান্ত বন্ধ রাখার আহ্বান জানিয়েছে জনস্বাস্থ্য সংগ্রাম পরিষদ।

ভারতে করোনাভাইরাসের ট্রিপল মিউটেশন ভ্যারিয়েন্ট B.1.168 (বেঙ্গল স্ট্রেইন) আবির্ভাব ঘটায় উদ্বেগ প্রকাশ করে, এই স্ট্রেইনের বাংলাদেশে আসা ঠেকাতে ভারত থেকে আগমন ও প্রস্থান বাতিল করতে জনস্বাস্থ্য সংগ্রাম পরিষদ আহবায়ক ডা. ফয়জুল হাকিম, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা হারুন অর রশিদ, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা রওশন আরা, জনস্বাস্থ্যসেবা সংগঠক অনুপ কুণ্ডু ও সামিউল আলম এই আহ্বান জানান।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

এক বিবৃতিতে তারা বলেন, ‘মহামারি কোভিড-১৯ প্রতিরোধে প্রথম থেকেই জনগণকে সম্পৃক্ত করার নীতি গ্রহণ না করে শেখ হাসিনা সরকার আমলা নির্ভর ভ্রান্ত নীতি গ্রহণ করায় দেশের জনস্বাস্থ্য আজ এক হুমকির মুখে পড়েছে। কোভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণ না হয়ে কমিউনিটি পর্যায়ে সংক্রমণ বিস্তার স্থায়ী হতে চলেছে।’

বিজ্ঞাপন

“এশিয়ায় ভারত, কোরিয়া, ইরান প্রভৃতি দেশ করোনা ভ্যাকসিম উৎপাদন প্রক্রিয়ায় থাকলেও বাংলাদেশে করোনা ভ্যাকসিন উৎপাদনে যেমন সরকারি মহলের কোনো আগ্রহ ছিল না, তেমনি দেশের বাইরে থেকে ভ্যাকসিন আমদানিতে সঠিক বাস্তবানুগ পরিকল্পনা ছিল না।”

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘সরকার শুধুমাত্র ভারতের সিরাম ইনিস্টিউটের তৈরি করা অক্সফোর্ড-অস্ট্রাজেনিকা ভ্যাকসিন আমদানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল এবং তা সরাসরি সরকারিভাবে ক্রয়ের সিদ্ধান্ত না নিয়ে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকোর মাধ্যমে ক্রয়ের ব্যবস্থা করেছিল। এখন ভারতের কোভিড-১৯ পরিস্থিতি বিপজ্জনক হওয়ায় বাংলাদেশের ভ্যাকসিন প্রাপ্তি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।’

দৈনিক টেস্টের সংখ্যা বৃদ্ধি করা, করোনা প্রতিরোধে জনগণকে সম্পৃক্ত করার নীতি গ্রহণ করা, আগামী বাজেটে কোভিড-১৯ প্রতিরোধকে অগ্রাধিকার দিয়ে সামরিকখাতসহ অনুৎপাদক খাতে বরাদ্দ হ্রাস করে স্বাস্থ্যখাত, শিল্প ও কৃষি খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধিরও দাবি জানানো হয় বিবৃতিতে।