চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টের স্থানীয় সংক্রমণ কমাতেই হবে

করোনা সংক্রমণে বলতে গেলে বিপর্যস্ত আমাদের প্রতিবেশি দেশ ভারত। সেই ঢেউ ইতোমধ্যে সীমান্তে আছড়ে পড়তে শুরু করেছে। এতে সীমান্তবর্তী জেলাগুলোর সংক্রমণ এখনও ঊর্ধ্বমুখী। সেখানে সংক্রমণের হার এত বেশি যে, এর ফলে মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে দেশের সংক্রমণের হার ছয় থেকে ১০ শতাংশে উঠে এসেছে।

চ্যানেল আই অনলাইনের প্রতিবেদনে জানা যায়, চাঁপাইনবাবগঞ্জে সাতজনের শরীরে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে। এখন জেলাটিতে কমিউনিটি ট্রান্সমিশন বা স্থানীয় সংক্রমণ শুরু হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

আইইডিসিআর অধ্যাপক ডা. তাহমিনা শিরিন বলেছেন: নতুন যে ১৩ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের ওই ধরনটি শনাক্ত হয়েছে তাদের মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সাতজন। তাদের কারও ভারত ভ্রমণের ইতিহাস নেই। তারা স্থানীয়ভাবে সংক্রমিত হয়েছেন। এ জেলায় সংক্রমণের অবস্থা বিবেচনায় বলাই যায় জেলাটিতে কমিউনিটি ট্রান্সমিশন হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন: যত সংক্রমণের হার বৃদ্ধি পাবে, ততই ভাইরাসটি মানুষের মধ্যে প্রবেশ করে তার রূপ পাল্টাবে। শঙ্কার বিষয় হচ্ছে, যতই আমাদের মধ্যে সংক্রমণ ছড়াবে ততই এই পরিবর্তনের মাত্রাও বৃদ্ধি পাবে।

আইইডিসিআর মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম বলেছেন: আমরা প্রতিদিন খবর নিচ্ছি, রাজশাহী মেডিক্যালে এখন পর্যন্ত তাদের পর্যাপ্ত রোগী সেবা দেওয়ার জন্য সক্ষমতা রয়েছে। রোগীর সংখ্যা যদি বৃদ্ধি পায় তাহলে লকডাউন দেওয়া হবে।

ভারতে নতুন ধরনের এই করোনাভাইরাস কতোটা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে তা আমরা দেখেছি। সেই দুঃসহ অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে আমাদের আরও কৌশলী ও কঠোর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। এজন্য স্থানীয়ভাবে পর্যাপ্ত সরকারী কোয়ারেন্টাইন ও আইসোলেশনে সেন্টার খোলা যেতে পারে। শনাক্তদের নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে। তারা যেন অন্য জেলায় চলে যেতে না পারে, সেটাও নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া জনগণের সচেতনতারও কোনো বিকল্প নেই। এজন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে যার যার অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে আমরা আহ্বান জানাচ্ছি।