চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

বুস্টার ডোজ নয়, ৮০ ভাগ ভ্যাকসিন নিশ্চিতই সরকারের লক্ষ্য

বিশ্বের কিছু দেশ ষাটোর্ধ্ব নাগরিকদের দুই ডোজ ভ্যাকসিন নিশ্চিত করার পর ‘বুস্টার ডোজ’ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এ অবস্থায় এদেশেও ‘বুস্টার ডোজ’ দেওয়া নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। তবে সরকারের দায়িত্বশীলরা বলছেন, বুস্টার ডোজের চেয়ে এখন দেশের ৮০ ভাগ মানুষকে দুই ডোজ ভ্যাকসিন দেওয়াই মূল লক্ষ্য। ভ্যাকসিনের কার্যকারিতার স্থায়ীত্ব নিয়েও গবেষণা চলছে।

ভ্যাকসিন বিশেষজ্ঞ ও ইপিআই’র সাবেক প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডা. তাজুল ইসলাম এ বারী এসব তথ্য জানান।

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও জানান, যুক্তরাজ্যের একদল বিজ্ঞানী পূর্ণ দুই ডোজ ভ্যাকসিন নেওয়া প্রায় ১২ লাখ মানুষের উপর গবেষণা করে দেখেছেন, ফাইজার বায়োএনটেকের ভ্যাকসিন নেওয়ার ৫-৬ মাসের মধ্যে ১৪ শতাংশ সুরক্ষা কমেছে। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার কমেছে ১০ শতাংশ। মোটের ওপর দেখা যায়, ৬ থেকে ৯ মাসের মধ্যে ৫০ শতাংশ সুরক্ষা কমে যাচ্ছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বরাবরই বলে আসছে, বিশ্বের প্রায় সব মানুষের দুই ডোজ ভ্যাকসিন নিশ্চিত করা না গেলে মহামারি ঠেকানো যাবে না। কিন্তু কিছু দেশ এর মাঝেই ষাটোর্ধ্ব এবং বিভিন্ন জটিলতায় আক্রান্তদের জন্য বুস্টার ডোজের প্রক্রিয়া শুরু করে। বাংলাদেশেও এনিয়ে আলোচনা শুরু হয়।

সরকারের স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নীতির সাথে সমন্বয় রেখে বাংলাদেশের প্রধান লক্ষ্য, বেশির ভাগ মানুষকে ভ্যাকসিনের আওতায় আনা। তারা মনে করেন, করোনা ভ্যাকসিনের সুরক্ষার স্থায়ীত্ব নিয়ে অনেক গবেষণা বাণিজ্যিক কারণেও হচ্ছে। ফলে এসব বিষয় বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে পর্যবেক্ষণ করছে বাংলাদেশ।

বিজ্ঞাপন