চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

বুবলী ‘এ ওয়ান’ ক্যাটাগরির অভিনেত্রী!

Nagod
Bkash July

চলচ্চিত্রের ‘মাস্টার মেকার’ বলা হয় মালেক আফসারীকে। তার ঝুলিতে একাধিক সুপারহিট ছবি। তিনি কাজ করেছেন আলমগীর, সালমান শাহ, রুবেল, মান্না, শাকিব খানের মতো নায়কদের নিয়ে। এ নির্মাতার নির্দেশনা পেয়েছেন শাবানা, রোজি আফসারী, চম্পা, মৌসুমী, পপি, পূর্ণিমা, সিমলাসহ একাধিক নায়িকা।

Reneta June

তবে মালেক আফসারী বিস্মিত হাল সময়ের চিত্রনায়িকা বুবলীল ‘ন্যাচারাল’ অভিনয় দেখে। সম্প্রতি বুবলীকে নিয়ে মালেক আফসারী বলেন, কান্নার জন্য বুবলীর গ্লিসারিন লাগে না। ব্রিফিংয়ে বলে দিলে সে এমনিতেই কাঁদতে পারে। স্বাভাবিক অভিনয় করে। কোনো নাটকীয়তা নেই তার মধ্যে। একেবারে ‘এ ওয়ান’ ক্যাটাগরির অভিনেত্রী বুবলী।

শুধুমাত্র ‘পাসওয়ার্ড’ ছবিতেই বুবলীকে নায়িকা হিসেবে পেয়েছেন মালেক আফসারী। এক ছবিতে পেয়েই তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন ‘এই ঘর এই সংসার’ ছবির এ পরিচালক। তিনি বলেন, পাসওয়ার্ডে বুবলী ভালো অভিনয় করেছে। একদম ন্যাচারাল ছিল।

‘সে সুপার, এডুকেটেড, মার্জিত, ভদ্র, সোভার। আমি যতো নায়িকার সঙ্গে কাজ করেছি, সবচেয়ে মার্জিত নায়িকা বুবলী।’-বলছিলেন মালেক আফসারী।

বুবলীকে নিয়ে অনলাইনে অনেক সমালোচনা দেখা যায়। অনেকে নেতিবাচক মন্তব্য করেন। এ প্রসঙ্গ টেনে মালেক আফসারী বলেন, কেন সমালোচনা হবে না? যার সমালোচনা হবে না তার দুই পয়সা দামই নেই। সমালোচনা করাটা খুব সহজ ব্যাপার। সমালোচিত হতেও যোগ্যতা অর্জন করতে হয়। বুবলী সেই যোগ্যতা অর্জন করেছে বলেই তাকে নিয়ে সবাই কথা বলে।

শাকিব খানের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে এসে মাত্র চার বছরের ক্যারিয়ারে আলোচনার শীর্ষে শবনম বুবলী। মালেক আফসারীর এমন প্রশংসা চোখে পড়েছে শবনম বুবলীরও। তিনি মনে করেন ক্যামেরার পিছনে বা ফেস টু ফেস কথায় অনেকেই প্রশংসা করতে পারেন, কিন্তু ক্যামেরার সামনে এলে অনেকেই চুপ থাকেন।

তাই বুবলী তার নিজের ফ্যান পেজে মালেক আফসারীর প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে লিখেছেন, ধন্যবাদ স্যার। আমার সৌভাগ্য যে আপনার মত গুণী, বিচক্ষণ, সফল এবং স্পষ্টবাদী একজন নির্মাতার নির্দেশনায় সিনেমা করার সুযোগ হয়েছে। নিজেকে নিয়ে আপনার কাছ থেকে পাওয়া এই প্রতিটি শব্দ আমার কাছে আশির্বাদ। আপনাকে জানাই শ্রদ্ধা।

BSH
Bellow Post-Green View