চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

বিড়াল পালনের জন্য হয়রানির শিকার হচ্ছি: নায়লার অভিযোগ

পাড়াপড়শির বিরুদ্ধে নায়লার অভিযোগ, শনিবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলন…

‘আমি প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হচ্ছি। আমার বাবা মাও হয়রানি থেকে রেহাই পাচ্ছেন না। পরিবার নিয়ে একপ্রকার একঘরে হয়ে আছি। প্রতিবেশীরা বাঁকা চোখে দেখে।’ 

পাড়াপড়শির বিরুদ্ধে এমন অভিযোগই আনলেন আলোচিত মডেল, অভিনেত্রী ও প্রাণীপ্রেমী নায়লা নাঈম।

বিজ্ঞাপন

কিন্তু কেন হয়রানি হচ্ছেন? প্রশ্নে নায়লা বলেন, আমার অপরাধ নিজের ফ্ল্যাটে বিড়াল লালন পালন করি। ‘এসব প্রাণী থেকে করোনা ভাইরাস ছড়াবে’ এই গুজবে প্রতিবেশীদের কাছ থেকে মারাত্মকভাবে হয়রানি হতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত। সহ্যের সীমা অতিক্রম হয়ে গেছে। তাদের কি কোনো মানবিকতা নেই? এজন্য আমি প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

বিজ্ঞাপন

নায়লা নাঈম বলেন, আমার বাসায় ১৭-১৮ টি বিড়াল রয়েছে। প্রত্যেকটি বিড়ালের ভ্যাকসিন দেয়া যাতে তাদের থেকে কোনো রোগ বালাই না ছড়ায়। কিন্তু কোনো কিছুতেই প্রতিবেশীদের থামানো যাচ্ছে না। তারা আমার নামে স্থানীয় কমিশনারের কাছে পর্যন্ত অভিযোগ করেছেন।

‘বাসায় পুলিশ আসছে। আমার পরিবারের সাথেও প্রতিবেশীরা ঠিকভাবে কথা বলে না৷ বাসার নিচে আমার নিজস্ব স্কুটি চার্জ দিতে দেয় না। আমি বাসায় বিড়াল পালন করি এটা কি অন্যায়? এটা কোনো ক্রাইম? আমি কি মাদক বিক্রি করছি? তাহলে কেন আমাকে এভাবে হয়রানি হতে হবে?’- উল্টো প্রশ্ন রাখেন নায়লা।

লকডাউনের সময়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে কুকুরকে খাবার দিয়েছেন নায়লা নাঈম

তিনি বলেন, বিড়ালগুলো বাসার মধ্যেই থাকে। কারও কোনো ক্ষতি করে না। আমি নিজেই ওদের খাবার দেই। এমনকি করোনার শুরু থেকে নিজে ঘুরে ঘুরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় শত শত কুকুর বিড়ালকে খাবার দিয়েছি৷ এতে অন্যদের সমস্যা কেন হচ্ছে? পশুপাখির জন্য যতটুকু করি, এটা পুরোপুরি মানবিক জায়গা থেকে।

সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে এমন হয়রানির প্রতিবাদ করতে যাচ্ছেন জানিয়ে নায়লা বলেন, শনিবার বিকেল সাড়ে ৪ টায় রাজধানীর মগবাজারের একটি রেস্তোরায় হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছি। সেখানে বিস্তারিত তুলে ধরবো।