চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

বাদল সরদার হত্যা: মৃত্যুদণ্ড-যাবজ্জীবন পাওয়া সব আসামি খালাস

পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার ভিটাবাড়িয়া গ্রামের বাদল সরদার হত্যা মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ে মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া সব আসামিকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের ডেথ রেফারেন্স খারিজ এবং আসামিদের আপিল গ্রহণ করে রোববার বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ ও বিচারপতি এ এস এম আব্দুল মোবিনের হাইকোর্ট বেঞ্চ রায় দেন।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

আদালতে আসামি পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ফজলুল হক খান ফরিদ, শেখ আলী আহমেদ খোকন, মো.আব্দুর রাজ্জাক প্রমুখ। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শাহীন আহমেদ খান।

রায়ের পর আইনজীবী ফজলুল হক খান ফরিদ বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডের সময় এই মামলার এক আসামি অন্য মামলায় জেলে ছিলেন। কিন্তু একজন সাক্ষী জেলে থাকা ওই আসামির বিরুদ্ধেও সাক্ষ্য দেন। এরকম কয়েকটি বিষয় বিবেচনায় নিয়েই হাইকোর্ট আজ খালাসের রায় দিয়েছেন।’

বিজ্ঞাপন

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ১৯৯৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর রাতে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে ভিটাবাড়িয়া গ্রামের জালাল সরদারের ছেলে বাদল সরদারকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ওই ঘটনায় নিহত ব্যক্তির বাবা বাদী হয়ে মামলা করেন।

২০০৩ সালে আসামিপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে উচ্চ আদালতের এক আদেশে মামলাটি পিরোজপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালত থেকে ঝালকাঠি জেলা ও দায়রা জজ আদালতে স্থানান্তর করা হয়।

বিচার শেষে ২০১৫ সালের ১ জুলাই ঝালকাঠি জেলা ও দায়রা জজ আদালত ওই মামলায় রায় দেন । সেই রায়ে ভান্ডারিয়া উপজেলার উত্তর ভিটাবাড়িয়া গ্রামের শহীদ শিকদার, দুলাল শিকদার, বাদল শিকদার ও নিজাম শিকদারকে মৃত্যুদণ্ড এবং ভিটাবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সালাম সরদার, উত্তর ভিটাবাড়িয়া গ্রামের হারুন শিকদার ও মিনু সিকদারকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত।

এরপর নিয়ম অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে আসে। পাশাপাশি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা আপিল করেন হাইকোর্টে। এসবের শুনানি নিয়েই হাইকোর্ট আজ রায় দেন।