চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

পোশাকসহ সব ধরনের কারখানা খুলে দেয়ার দাবি ব্যবসায়ীদের

তৈরি পোশাকসহ সব ধরনের শিল্পকারখানা খুলে দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন ব্যবসায়ী নেতারা।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রী পরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের সঙ্গে বৈঠক করে শিল্পকারখানা খুলে দেয়ার এই অনুরোধ জানান তারা।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

এসময় প্রধানমন্ত্রী বরাবর একটি আবেদনপত্রও দিয়ে আসেন ব্যবসায়ীরা।

বৈঠক শেষে বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ীরা সচিবের সঙ্গে দেখা করেছেন। আমাদের দাবি, লকডাউনে সব ধরনের শিল্পকে যেন কাজ করতে সুযোগ দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর কাছে ওনার মাধ্যমে এই অনুরোধ করেছি। তিনি বলেছেন, উনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলবেন। কথা বলে এই ডিসিশনটা খুব তাড়াতাড়ি দেবেন।

তিনি বলেন, করোনা পরিস্থিতি, সংক্রমণ, মৃত্যু সবকিছু মাথায় নিয়ে সরকারের কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে। সরকার এটা বিবেচনা করবে বলে আশা করি।

বিজ্ঞাপন

কোন দিন থেকে কারখানা খোলার দাবি জানানো হয়েছে? এমন প্রশ্নের জবাবে বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, কোনো নির্দিষ্ট দিন নয়, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব। ২৩ তারিখ থেকে লকডাউনে সব কিছু বন্ধ আছে, ঈদের আগে ১৮-১৯ তারিখ থেকে সবকিছু বন্ধ হয়ে গেছে। অনেক দিন বন্ধ থাকার কারণে সবকিছুরই সাপ্লাই চেইনে সমস্যা হচ্ছে।

ফারুক হাসান বলেন, ঈগের আগে ১৮ ও ১৯ জুলাই ৩০ হাজারের মতো কর্মীকে টিকা দেয়া হয়েছে। শ্রমিকরা যখন ফ্যাক্টরিতে থাকে তখন তারা টিকা দিতে নিরাপদবোধ করে। যখন তারা গ্রামে থাকে তখন তারা দিতে চায় না। শ্রমিকরা গ্রামে থাকলে সেখানে ডাক্তার বা ওষুধের দোকান বা হসপিটাল নাই। কিন্তু যে ফ্যাক্টরিগুলো আছে, তার আশপাশে যদি তারা থাকে তাহলে শ্রমিকদের আমরা নিরাপত্তা দিতে পারি।

এ সময় ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি জসিম উদ্দিন বলেন, কারখানা বন্ধ থাকলে সাপ্লাই চেইনটা ভেঙে যাচ্ছে। বন্দরে পণ্যের জট লেগে আছে। আন্তর্জাতিক বাজার হারানোর আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া স্থানীয় শিল্প কারখানায়ও সাপ্লাই চেইনে সমস্যা হচ্ছে।

তিনি বলেন, খাদ্য, চামড়া, ওষুধশিল্পকে খুলে দেয়া হলেও সেখানে সাপ্লাই চেইনের সংকট তৈরি হয়েছে। খাদ্য কারখানায় র‌্যাপিংয়ের দরকার। কার্টনের দরকার। তাই এমন পরিস্থিতিতে কারখানা বন্ধ রাখা যায় না।

জসিম উদ্দিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী জীবন-জীবিকাকে সামনে রেখে এগিয়ে গেছেন বলেই আমাদের প্রবৃদ্ধি ইতিবাচক।এতকিছুর পরও ৫ শতাংশের ওপরে প্রবৃদ্ধি ছিল।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে কারখানা পরিচালনার বিষয়ে সরকারের কাছে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।