চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

পলাশবাড়ী উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি নিয়ে বিতর্ক

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি দেয়াকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। জামায়াতের রুকনের ছেলে ওই উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয় ছাত্রলীগ সদস্যদের বেশ কয়েকজন বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ জানিয়ে এই কমিটির বিরুদ্ধে আন্দোলনের কথাও জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার গাইবান্ধা ছাত্রলীগের প্যাডে জেলা কমিটির আহ্বায়ক মো. আব্দুল লতিফ আকন্দ এবং যুগ্ম-আহ্বায়ক মো. রাহাদ মাহমুদ রনি সাক্ষরিত এক চিঠিতে পলাশবাড়ী উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা করা হয়। সেখানে সভাপতি হিসেবে মো. মামুন আর রশিদ সুমন ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে খন্দকার মো. ফরহাদ হোসেনের নাম উল্লেখ করা হয়।

বিজ্ঞাপন

এরপর থেকেই উপজেলা ছাত্রলীগের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। অভিযোগ করা হয়- উপজেলা সভাপতি হিসেবে সুমনের পরিবারের সঙ্গে জামায়াত ইসলামের সম্পৃক্ততা রয়েছে। অভিযোগের বিস্তারিত কোন তথ্য না মিললেও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অফিসিয়াল গ্রুপ থেকে এ বিষয়ে প্রতিবাদ জানান স্থানীয় নেতা-কর্মীরা।

বিজ্ঞাপন

উপজেলা ছাত্রলীগ কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী মো. নাজিবুর রহমান নয়ন বলেন, যে কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে সেখানে জেলা কমিটির তিন নেতার সাক্ষর নেই। এছাড়াও সাধারণ সম্পাদক সভাপতির থেকে প্রায় ৫ বছরের বড়। এমন কমিটি এর আগে কোথাও দেখা যায়নি। আর জেলা আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীদের জিজ্ঞাসা করলেই জানতে পারবেন, বর্তমান সভাপতি সুমনের মা জামায়াতের রুকন ছিল। কিন্তু তারপরও তাকে সভাপতি ঘোষণা করা হয়েছে। এখানে টাকা-পয়সার লেনদেন হয়েছে বলেও তিনি প্রশ্ন রাখেন।

এ বিষয়ে জানতে জেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মো. আব্দুল লতিফ আকন্দ ও যুগ্ম-আহ্বায়ক মো. রাহাদ আহমদ রনিকে বারবার ফোন করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেনি। উপজেলা কমিটি নিয়ে ক্ষোভ সৃষ্টির বিষয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের এক সহ-সভাপতি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, এমন অভিযোগ আমিও শুনেছি। স্থানীয়দের অভিযোগ, তার পরিবার জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। কিন্তু কিভাবে এমন একজনকে ছাত্রলীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে আনা হলো বুঝতে পারছি না।

এ বিষয়ে ছাত্রলীগ সভাপতির সঙ্গে আলাপ করবেন বলেও জানান তিনি।

Bellow Post-Green View