চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

নুসরাত ছাড়াও কয়েক ছাত্রী সেই অধ্যক্ষের যৌন নিপীড়নের শিকার

নুসরাত ছাড়াও আরো কয়েকজন মাদ্রাসা ছাত্রী অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলার যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছিল বলে পুলিশের তদন্ত কমিটির তদন্তে প্রমাণ মিলেছে।

কমিটির সদস্যরা মনে করছেন, মাদ্রাসার গভর্নিং বডি আগের বিষয়গুলো আমলে নিলে হত্যাকাণ্ডের মতো ঘটনা এড়ানো যেত।

বিজ্ঞাপন

যৌন নিপীড়নের মামলায় কারাগারে গেলেও জেলে বসেই নুসরাতকে পুড়িয়ে হত্যার পরিকল্পনা করেন ফেনীর সোনাগাজীর মাদ্রাসা অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলা। এ ঘটনায় থানার ওসিকে বদলির পর আর কোনো পুলিশ সদস্যের দায়িত্বহীনতা আছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে একজন ডিআইজিকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করে পুলিশ হেডকোয়ার্টার। সরেজমিন তদন্তে উঠে এসেছে যৌন নিপীড়নের আরো অনেক তথ্য।

পুলিশ হেডকোয়ার্টার তদন্ত দলের প্রধান এসএম রুহুল আমিন জানান, সিরাজ উদ দৌলা এর আগে আরও অনেক ছাত্রীর সঙ্গেই নুসরাতের মতোই ঘটনা ঘটিয়েছেন। বিশেষ করে নুসরাতের এক ঘনিষ্ঠ বান্ধবীর সঙ্গেও যৌন হয়রানির ঘটনা ঘটেছিল ছ’মাস আগে।

নুসরাত-মাদ্রাসা শিক্ষার্থী-যৌন নিপীড়ন
তদন্ত দলের প্রধান এসএম রুহুল আমিন

বিজ্ঞাপন

‘বিষয়টি মাদ্রাসা গভর্নিং বডিকে লিখিত আকারে জানিয়েছিলেন ভিকটিমের বাবা। তবে এসব অভিযোগের ব্যাপারে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে আমরা জানতে পারিনি। ওই অভিযোগগুলোর যদি সময়োচিত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতো তবে হয়তো নুসরাতের মৃত্যুর মতো দুঃখজনক ঘটনাটি না-ও ঘটতে পারত,’ বলেন তিনি।’

তদন্তে গিয়ে গ্রহণ করা সাক্ষ্যগুলো এখন মিলিয়ে দেখছে পুলিশের তদন্ত কমিটি। তদন্ত প্রধান জানান, পুলিশ সদস্য ছাড়াও এ পর্যন্ত ১৭-১৮ জনের সাক্ষ্য নেয়া হয়েছে। আনুষঙ্গিক ডকুমেন্টগুলোও রেকর্ডে নিয়েছে তদন্ত দলটি। এছাড়া আরো কিছু তথ্য-প্রমাণ যোগাড়ের চেষ্টা চলছে।

মামলা দায়েরের আগে ও পরে শ্লীলতাহানির অভিযোগ করার সময় মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি ও থানার ওসি তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন বলেও জানিয়েছেন নিহত নুসরাতের মা।

দেখুন নিচের ভিডিও রিপোর্টে:

Bellow Post-Green View