চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

নিয়মিত ভ্যাকসিন করোনাযুদ্ধের ভবিষ্যত

নিয়মিত সহায়ক ভ্যাকসিন করোনাযুদ্ধের ভবিষ্যত বলে মন্তব্য করেছেন ব্রিটেনের ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক শ্যারন পিকক।

তিনি বলছেন, মানবদেহের করোনাভাইরাসের প্রতিরোধ ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়। ভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্স ক্রমাগত পরিবর্তিত হয়ে অতিসংক্রামক রূপ গ্রহণ করছে। ভবিষ্যতে এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে নিয়মিত ভ্যাকসিন প্রয়োজন হবে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে শ্যারন বলছেন, জিনোমগুলোর সিকোয়েন্স পরিবর্তন হয় ও সংক্রমিত হয়। মানবদেহের প্রতিরোধ ক্ষমতা আরও সুরক্ষিত করতে নিয়মিত সহায়ক ভ্যাকসিন লাগবে।

তিনি বলেন, আমরা ইতোমধ্যে বিবর্তনের ক্ষেত্রে ভাইরাস কী করছে তা মোকাবেলা করতে ভ্যাকসিনগুলোর সামঞ্জস্য স্থাপন করতে পারছি।

বিজ্ঞাপন

শ্যারন পিকক যুক্তরাজ্যের অণুজীব বিজ্ঞানী। যিনি করোনার জিনোম সিকোয়েন্স চিহ্নিতকরণের বিশ্বব্যাপী ব্যাপক অবদান রাখছেন।

তার মতে, করোনার বিরুদ্ধে ‘ইদুর বিড়াল’ যুদ্ধে আরও বেশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রয়োজন ছিলো।

ব্রিটিশ সরকারের প্রধান বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা প্যাট্রিক ভ্যালেন্সের সহায়তায় তিনি ঠিক এক বছর আগে সিওজি-ইউকে স্থাপন করেন, যেখানে ভাইরাসটির জিনোম নিয়ে বিশ্বের সর্বাধিক গবেষণা চলছে।  প্রতিষ্ঠানটি ইতোমধ্যে সারাবিশ্ব থেকে ৩ লাখ ৪৬ হাজার ৭১৩টি জিনোম সিকোয়েন্স চিহ্নিত করেছে।

করোনা মহামারী বিভিন্ন রূপ বদলে ইতোমধ্যে বিশ্বব্যাপী ত্রাসে পরিণত হয়েছে। এরই মধ্যে মহামারিতে মৃত্যু হয়েছে ২৬ লক্ষাধিক মানুষ। আর আক্রান্ত হয়েছে ১২ কোটি ৫ লাখ ৪ হাজারের অধিক। প্রতি মুহূর্তে করোনা তার রূপ বদল করছে।