চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

নিজেদের ফাঁস করা প্রশ্নে নিজেরা সরকারি কর্মকর্তা, কামিয়েছে কোটি টাকাও

মেডিক্যাল, বুয়েটসহ ভর্তি পরীক্ষা আর বিসিএস ও অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন লাগাতার আট বছর ধরে ফাঁস করে আসছে একটি চক্র। আট সদস্যের এই চক্রটি প্রশ্নপত্র ফাঁসের মাধ্যমে কামিয়ে নিয়েছে কোটি কোটি টাকা।

এমনকি নিজেদের ফাঁস করা প্রশ্নে নিজেরাই পরীক্ষা দিয়ে সরকারি কর্মকর্তা বনে গেছেও কেউ কেউ!

বিজ্ঞাপন

জনতা ব্যাংকের কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান, বিসিএস নন-ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত ইব্রাহীম, বিকেএসপি’র সহকারী পরিচালক অলিপ কুমার বিশ্বাস, বিএডিসি’র সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল, নাটোর জেলার ক্রীড়া কর্মকর্তা রাকিবুল হাসান, ব্যবসায়ী তাজুল ইসলাম এবং সাতক্ষীরার রিমন হোসেন – সংঘবন্ধ প্রশ্নফাঁসকারী চক্রের এই আট সদস্য।

রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছে এই আটজন। এদের হিসেব থেকে লেনদেন হয়েছে সাড়ে প্রায় ১২ কোটি টাকা।

বিজ্ঞাপন

সম্প্রতি প্রশ্ন ফাঁসকারী চক্রের এই আটজনসহ ১২৫ জনের বিরুদ্ধে ঢাকার আদালতে অভিযোগপত্র দিয়েছে সিআইডি। প্রায় দুই বছর ধরে তদন্ত চালিয়ে এই চক্রের যে ৪৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদের ৪৬ জনই আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে বলে জানিয়েছেন সিআইডি’র বিশেষ পুলিশ সুপার মোল্লা নজরুল ইসলাম।

তিনি জানান, নিজেদের ফাঁস করা প্রশ্নে এরা নিজেরাই হয়েছে সরকারি কর্মকর্তা, অন্যদের কাছে প্রশ্ন বিক্রি করেও কামিয়েছে অর্থ।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা এবং বিসিএসসহ অন্যান্য সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে ফাঁস করেছে তারা। শুধু প্রশ্ন ফাঁসই নয়, বাড়তি অর্থের বিনিময়ে ফাঁস করা প্রশ্নের সমাধানও করে দিত এদের সহযোগী আরেকটি চক্র।

বিস্তারিত দেখুন ভিডিও রিপোর্টে:

Bellow Post-Green View