ক্যারিয়ার ৯ বছরের। এসময়ে ২৮ টেস্টে খেলা ইমরুল কায়েস ওপেনার হিসেবে নেমেছেন ২৫ টেস্টে। ২০১৪ থেকে ২০১৭, এই তিন বছরে তিন টেস্টে তিন নম্বরে ব্যাট করেছেন। নতুন জায়গাটা অস্বস্তির মনে করলেও টিম ম্যানেজমেন্টের চাওয়াই বড় করে দেখছেন এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। সংগ্রাম করছেন তিনে মানিয়ে নেওয়ার। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে রোববারের টেস্টেও তাকে সম্ভবত তিনেই দেখা যাবে। ইমরুলের পজিশন ঠিক না থাকায় আফসোস হয় অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমেরও।
ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টা উঠতেই মুশফিক বললেন, ‘ওর (ইমরুল) জন্য খারাপ লাগে। নয় বছর খেলার পর এখনও খাপ খাইয়ে নেয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে। আমি বলবো ও একটু দুর্ভাগা। অনেক সময় টিম কম্বিনেশন বা পরিস্থিতির কারণে পছন্দ না হলেও পরিবর্তন আনতে হয়। তবে সে অসাধারণ প্লেয়ার। আশা করি এই সিরিজেও দারুণ কিছু করবে। গত ইংল্যান্ড সিরিজেও সে খুব ভালো ব্যাটিং করেছে।’
শততম টেস্টে মুমিনুল হককে সরিয়ে তিনে জায়গা করে দেয়া হয় ইমরুলকে। তামিম ইকবালের সঙ্গে সৌম্য সরকার টেস্ট ওপেনার হিসেবে কোচ চণ্ডিকা হাথুরুসিংহের অটোমেটিক চয়েস হয়ে যাওয়ায় তিন নম্বরে মুমিনুলের সঙ্গে এখন ইমরুলের প্রতিযোগিতা।
লম্বা সময় ধরে তিন নম্বরে প্রতিষ্ঠিত মুমিনুলকে নিয়ে আশার কথা শোনাতে পারেননি মুশফিক, ‘তিন নম্বরে আমাদের যে (মুমিনুল) সে সুযোগ পেলেও দারুণ কিছু করবে। কারণ গত কয়েক বছর ধরে সে ভালো খেলে এসেছে।’
অধিনায়কের কণ্ঠে ম্যাচের আগের দিন ‘সুযোগ পেলে’ কথাটায় মেলে অনেক প্রশ্নের উত্তর। প্রথম টেস্টে মুমিনুল হয়ত উপেক্ষিতই থাকছেন।










