মোজাম্মেল হক মামুন, সুইজারল্যান্ডের জেনেভা থেকে
পরন্ত সূর্যাস্তের রক্তিম আভা ছাড়িয়ে জেনেভার ‘লেক লেমনে’ তখন সন্ধ্যা নেমে আসে। ঠিক ৮টা বাজার পরই ‘লেক লেমনের’ নিকটবর্তী শহরের প্রাণকেন্দ্রে প্রবাসী বাঙ্গালীদের মিলনস্থল সাজনা রেস্টুরেন্টের হলঘরটি কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। বিভিন্ন ক্যান্টন, বিভিন্ন শহর ও উপশহর থেকে আসা প্রবাসীদের মিলনমেলায় পরিণত হয়।
সবাই এসেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসিকে অভিনন্দন জানাতে। গত বুধবার সন্ধ্যায় জেনেভার প্রাণকেন্দ্রে মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসিকে প্রবাসী গণ সম্বধনা ও নৈশভোঁজের আয়োজন করে সুইজারল্যান্ড আওয়ামী লীগ ও স্থানীয় প্রবাসী চট্টগ্রাম সমিতি। অনুষ্ঠানে নুরুল ইসলাম বিএসসি ও তার স্ত্রী সানোয়ারা বেগম উপস্থিত হয়ে প্রবাসী নেতৃবৃন্দের বক্তব্য শোনেন। এ সময় মন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান অনুষ্ঠানের সভাপতি মোহাম্মাদ মহসিন ও প্রবাসী চট্টগ্রাম সমিতির যুগ্ন সম্পাদক আকবর হোসেন।
মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি বলেন, ‘আমি একজন শিক্ষক থেকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। একজন তৃণমূলের রাজনৈতিক কর্মী থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের মন্ত্রী হয়েছি। আজ বাংলাদেশের যে আর্থসামাজিক উন্নয়ন দেখছেন, তা সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্ব ও লক্ষ কোটি প্রবাসীদের ঘামে ভেজা কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা স্বদেশে প্রেরণের জন্য। তাই সরকার প্রবাসীদের স্বদেশে বিভিন্ন নাগরিক সুযোগ–সুবিধা, সন্তানদের লেখাপড়া, ব্যবসা ও শিল্প স্থাপনে অগ্রাধীকার দিচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি এবং আমার সরকার প্রবাসীদের জন্য সম্ভাব্য সব কিছু করতে চাই।’
বিশেষ অতিথি ছিলেন জেনেভার স্থায়ী বাংলাদেশ মিশনের উপরাষ্ট্রদূত এম নজরুল ইসলাম, ইকোনোমি মিনিষ্টার সুপ্রিয় কুন্ড, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের স্থানীয় কর্মকর্তা মোহাম্মেদ হোসেন সরকার।
জেনেভা স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও প্রবাসী চট্টগ্রাম সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ মহসিনের সভাপতিত্বের আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারন সম্পাদক পলাশ বডুয়া, মাইনোরিটি কাউন্সিল সুইজারল্যান্ড শাখার সভাপতি অরুন বড়ুয়া, সসীম বড়ুয়া, সুনীল চক্রবর্তী, বাংলাদেশ ক্লাব সভাপতি আমজাদ চৌধুরী।,সুইজারল্যান্ড আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ জমাদার নুজরুল ইসলাম, শ্যামল খান, মাসুম খান, মিয়া বাবুল, আব্দুল আহাদ টিপু, শাহ-আলম ফারুক, মোর্শেদ ও মোজাম্মেল জুয়েল।
লুজান আওয়ামী লীগের পক্ষে সভাপতি আশরাফুল আলম লিটন, সাধারণ সম্পাদক বিপুল তালুকদার, মিয়া লিটন, মজিবুর রহমান কিরন ও সুমন।
অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা ও উপস্থাপনা করেন সুইজারল্যান্ড আওয়ামী লীগের সদস্য সচিব রহমান খলিলুর। অনুষ্ঠানে সার্বিক তত্তাবধানে ছিলেন বিনোদনকর্মী নিজাম উদ্দীন।
আলোচনা পর্ব শেষে চট্টগ্রাম সমিতি আয়োজিত নৈশভোজে সবাই অংশগ্রহন করেন।










