চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ক্রিকেটারদের শরীর-মন ভালো রাখতে বিসিবির ডিজিটাল গাইডলাইন

করোনাভাইরাসের কারণে ক্রিকেটীয় কর্মকাণ্ড বন্ধ। ঘরবন্দী অবস্থায় আছেন দেশের সব ক্রিকেটার। এভাবে থাকতে হতে পারে আরও দুই সপ্তাহ। সময়টাতে ফিটনেস ধরে রাখা তাদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

দীর্ঘদিন চার দেয়ালে বন্দী থাকার কারণে অনেকের মনে জমতে পারে হতাশার মেঘ। ক্রিকেটারদের শরীর ও মন ভালো রাখতে তাই ডিজিটাল গাইডলাইন তৈরি করেছে বিসিবি। যা মেনে চললে করোনার প্রকোপ কেটে গেলেই শারীরিক ও মানসিকভাবে ম্যাচ খেলার উপযোগী হয়ে উঠবেন তারা। হোম কোয়ারেন্টাইন হয়ে উঠতে পারে তাদের জন্য নতুন শুরুর পাথেয়।

বিজ্ঞাপন

বিসিবির হেড অব ফিজিক্যাল পারফরম্যান্স নিক লি ঘরে বসেও যেন ক্রিকেটাররা নিজেদের ফিটনেস ঠিক রাখতে পারেন তেমন একটি গাইডলাইন তৈরি করে দিয়েছেন। বিসিবির পক্ষ থেকে সেই গাইডলাইন সরবরাহ করা হয়েছে ক্রিকেটারদের। বোর্ড থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সেই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

করোনা পরিস্থিতি কাটিয়ে যখন ক্রিকেটাররা মাঠে ফিরবেন, তখন তাদের ফিটনেস যেন ভালো পর্যায়ে থাকে, সে কারণে তৈরি করা এই গাইডলাইন মেনে চলার জন্য তাগিদ দেয়া হয়েছে ক্রিকেটারদের। এমনভাবে গাইডলাইন তৈরি করা হয়েছে যেন জিমনেশিয়ামে যাওয়া কিংবা ফিটনেস সরঞ্জামাদি ছাড়াও ঘরে বসেই ক্রিকেটাররা সেটা অনুসরণ করতে পারেন।

সারাদিন কীভাবে সময় অতিবাহিত করবে, কী খাবে, কখন ঘুমাবে- সবকিছুই তৈরি করে দেয়া হয়েছে ক্রিকেটারদের। বিসিবির মেডিকেল বিভাগ তৈরি করেছে মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক রাখার গাইডলাইন। ক্রিকেটারদের বলা হয়েছে মেডিটেশন, প্রার্থনা করতে। এছাড়া বই পড়া, পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ, ফোন বা ভিডিও কলে বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলতে উৎসাহ দেয়া হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কম থাকতে বলা হয়েছে। ক্রিকেটারদের শরীর-মন ভালো রাখার এ পথ বিসিবির ওয়েবসাইট ছাড়াও পাওয়া যাবে অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে।

গাইডলাইন তৈরির উদ্দেশ্য হচ্ছে, লম্বা সময় পর হঠাৎ করেই মাঠে ফিরে যেন কোনো ক্রিকেটার ফিটনেস সমস্যায় না ভোগে, যেন হঠাৎ ম্যাচ খেলতে নেমে ইনজুরিতে পড়ে না যায়। বোর্ড একইসঙ্গে ক্রিকেটারদের এটাও জানিয়ে দিয়েছে, তারা যেন মানসিক কোনো সমস্যায় না ভোগে। সে ধরনের কোনো সমস্যা অনুভব হলেই যেন বোর্ডের মেডিকেল টিমের সঙ্গে যোগাযোগ করে। সেখানে রয়েছেন একজন মনোবিদ।