চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ক্যাচ মিসে শীর্ষে পাকিস্তান, সাতে বাংলাদেশ

ক্যাচই ম্যাচ জেতায়! কোনো দল যদি বিশ্বকাপ বা অন্য কোনো টুর্নামেন্ট জিততে চায়, অবশ্যই তাদের হাফ-চান্সগুলোকে ফুলচান্সে পরিণত করতে হবে। এ কথাটা যতদ্রুত সম্ভব কোনো একজনকে বলতে হবে পাকিস্তান দলকে। ক্যাচ মিসের মহড়ার পর এমন আওয়াজ উঠেছে দলটির ভালো-মন্দ নিয়ে নাড়াচাড়া করাদের দিক থেকে।

রোববার সাউথ আফ্রিকাকে হয়তো বেশ সহজেই হারিয়েছে পাকিস্তান। তবুও গ্রিন আর্মিদের জন্য উদ্বেগের কারণ আছে। পাকিস্তানের সম্ভাবনা খুব বেশি যে উজ্জ্বল এমনও আবার বলা যাবে না। তবে খাতা-কলমে সম্ভাবনা জিইয়ে রাখতে বাকি ম্যাচগুলোতে জয় ছাড়া গতি নেই সরফরাজদের। সেই লক্ষ্যে আপাতত সঠিক একটা পদক্ষেপ পাকিস্তানের। লর্ডসে প্রোটিয়াদের ৪৯ রানে হারিয়ে শেষ চারের লড়াইয়ে ভেসে আছে তারা।

বিজ্ঞাপন

সেমিফাইনালের চেয়ে অবশ্য পাকিস্তানের বড় চিন্তা এখন ক্যাচ মিস নিয়ে। সাউথ আফ্রিকা ম্যাচেও ৫-৬টি ক্যাচ মিস করেছে তারা। ক্যাচ ফেলায় এখন পর্যন্ত ‍টুর্নামেন্টে তারাই শীর্ষে। ৩৫% ক্যাচ ফেলেছেন দলটির ফিল্ডাররা। দশ দলের মধ্যে এই তালিকায় বাংলাদেশ আছে সাত নম্বরে।

টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত ছয় ম্যাচ খেলেছে পাকিস্তান। এসব ম্যাচে মোট ১৪টি ক্যাচ ফেলেছে তারা। যেটা চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের সঙ্গে তুলনা করলে চমকে যাওয়ার মতোই অবস্থা। পাঁচ ম্যাচে ভারত মিস করেছে মাত্র একটি ক্যাচ, ধরেছে ১৫টি।

বিজ্ঞাপন

ক্রিকেটের সবকিছুর হিসাব রাখা সর্বোচ্চ নতুন প্রযুক্তি ক্রিক-ভিজ ডাটাবেজে দেখা যাচ্ছে, সবচেয়ে কম ক্যাচ ফেলেছে ভারত। কোহলি-রোহিতদের হাত থেকে পড়েছে মাত্র ৬.২৫% ক্যাচ। ক্যাচ সাফল্যের মতো দলীয় পারফরম্যান্সেও উজ্জ্বল তারা। পাঁচ ম্যাচের একটিতেও হারেনি।

ছয় ম্যাচে মোট ২৬টা ক্যাচের ১৪টি মিস করেছে সুযোগ হাতছাড়ার শীর্ষে থাকা পাকিস্তান। ক্যাচ মিসে দ্বিতীয়স্থানে স্বাগতিক ইংল্যান্ড। ৪২টি ক্যাচের মধ্যে তারা ফেলেছে ১০টি (১৯.২৩%)।

এরপর যথাক্রমে, সাউথ আফ্রিকা ৩১টিতে ফেলেছে সাতটি (১৮.৪২%), নিউজিল্যান্ড ৩৩টিতে ফেলে ছয়টি (১৫.৩৮%), অস্ট্রেলিয়া ৩৫টিতে ছয়টি (১৪.৬৩%), শ্রীলঙ্কা ১৫টিতে দুটি (১১.৭৬%) ক্যাচ ফেলেছে।

বাংলাদেশ ২৪টি ক্যাচের মধ্য থেকে ফেলেছে মাত্র তিনটি (১১.১১%), আফগানিস্তান ১৮টিতে দুটি (১০%), ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২৭টিতে তিনটি (১০%) ও ভারত ১৫টিতে একটি (৬.২৫%)।

সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে জয়ের পর পাকিস্তান দলের প্রশংসা করেছেন শহিদ আফ্রিদি, শোয়েব আখতার, মাজহার আরসাদ, নারী ক্রিকেটার সানা মীর, ভারতীয় ধারাভাষ্যকার হার্সা ভোগলেসহ আরও অনেকে। প্রশংসার পাশাপাশি প্রত্যেকেই পাকিস্তানের ফিল্ডিংয়ের বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন।

Bellow Post-Green View