চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

কোভিড ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ কখন নেয়া প্রয়োজন?

করোনাভাইরাস ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ যারা নিয়েছেন, তাদের সিংহভাগই দ্বিতীয় ডোজ নিতে আসছেন না, এ নিয়ে তৈরি হয়েছে বেশ বিতর্ক। তবে অ্যাস্ট্রাজেনেকার এক গবেষণায় প্রমাণিত যে, প্রথম ভ্যাকসিন নেওয়ার ৪ থেকে ১২ সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয় ডোজ নেয়া উচিত।

এক প্রতিবেদনে এমনটাই জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

গবেষণায় ভ্যাকসিন গ্রহণে দুই ধরনের রোগীর কথা বলা বিবেচনায় রাখা হয়েছে। তা হলো-

টাইপ ১: হালকা এবং মাঝারি কোভিডের ভাইরাস আক্রমণের বিরুদ্ধে ভ্যাকসিন কিভাবে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

টাইপ ২: হাসপাতালে ভর্তি গুরুতর কোভিড রোগী ভাইরাসের আক্রমণের বিরুদ্ধে ভ্যাকসিন কী করতে পারে?

এর মধ্যে বেশিরভাগ টাইপ ২ অর্থাৎ হাসপাতালে ভর্তি বা মৃত্যু নিয়ে বেশি চিন্তিত। এবং টাইপ ১ ধরনের রোগী নিয়ে চিন্তিত নয়।

গবেষণায় দেখা যায়, প্রথম ভ্যাকসিন ডোজ দেওয়ার ২১ দিনের পরে টাইপ ২ এর বিরুদ্ধে কার্যকারিতা সম্পূর্ণ ১০০ শতাংশ। অর্থাৎ আপনি গুরুতর কোভিডের বিরুদ্ধে ১০০ শতাংশ সুরক্ষিত।

বিজ্ঞাপন

তবে টাইপ ১ এ ক্ষেত্রে ভ্যাকসিন ৬৫ শতাংশ সুরক্ষা দিতে পারে কোভিডের আক্রমণের বিরুদ্ধে।ভ্যাকসিন দেওয়ার পরও অনেক সময় হালকা, মাঝারি কোভিড সংক্রমণ রোগীর ৩৫ শতাংশ আশঙ্কা থাকে কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার।

আরও বলা হয়েছে, প্রথম ভ্যাকসিনের পরে টাইপ ২ গুরুতর আক্রমণের বিরুদ্ধে ১০০  শতাংশের কার্যকারিতা কমপক্ষে ১২ সপ্তাহ স্থায়ী হয়।

প্রথম ভ্যাকসিনের পরে, আপনি যেভাবেই কোভিডের মারাত্মক আক্রমণ থেকে ১০০ শতাংশ সুরক্ষিত, দ্বিতীয় ভ্যাকসিন কেবল টাইপ ১ এর বিরুদ্ধে কার্যকারিতা কিছুটা বাড়িয়ে তোলে।

এমনকি কারও যদি টাইপ ২ হালকা সংক্রমণ হয় তার বিরুদ্ধেও ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ আরও সুস্থ করে তুলতে পারে।

তবে দ্বিতীয় ভ্যাকসিনটি ১ম ভ্যাকসিনের ৪ সপ্তাহ পরে নেওয়া হয়, তবে হালকা কোভিডের বিরুদ্ধে কার্যকর করবে ৬৫ শতাংশ থেকে ৭০ শতাংশ। এ ক্ষেত্রে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা ৩০ শতাংশ। যদি দ্বিতীয় ডোজ ১ ভ্যাকসিনের গ্রহণের ৮ সপ্তাহ পর নেওয়া হয় তাহলে কোভিড থেকে সুরক্ষার হার ৭৫ শতাংশ বেড়ে যায়, আক্রান্তের সম্ভবনা তখন ২৫ শতাংশ।

১২ সপ্তাহ পর কেউ যদি দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণ করেন তখন সুরক্ষার হার ৮০ শতাংশে পৌঁছে। এ সময় করোনা আক্রান্তের হার ২০ শতাংশ থাকতে পারে।

করোনা ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার ১৪ দিন পর সাধারণত অ্যান্টিবডি তৈরি হয়।

বিজ্ঞাপন