সরকারি দপ্তর, স্বায়ত্তশাসিত বা আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন চাকরিতে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে নবম থেকে ১৩তম গ্রেড কোটা বাতিলসংক্রান্ত পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে রায় দিয়েছেন উচ্চ আদালত। এই রায়ের প্রতিবাদে বৃহৎ আন্দোলন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
বুধবার (৩ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়’ এর ব্যানারে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল করেন। মিছিলটি ক্যাম্পাসের কাঁঠালতলা থেকে শুরু হয়ে বাংলাবাজার মোড়, রায়সাহেব বাজার হয়ে তাঁতিবাজার মোড়ে এসে রাস্তা অবরোধ করে অবস্থান নেয়।
মিছিলে শিক্ষার্থীরা ‘লেগেছে রে লেগেছে, রক্তে আগুন লেগেছে’, ‘মেধাবীরা আসছে, রাজপথ কাঁপছে’, ‘মুক্তি চাই-মুক্তি চাই, কোটা থেকে মুক্তি চাই, ‘বঙ্গবন্ধুর বাংলায় বৈষম্যের ঠাঁই নাই’, ‘আঠারোর হাতিয়ার জেগে উঠো আরেকবার’, ‘সারা বাংলায় খবর দে, কোটা প্রথায় কবর দে’, ‘কোটা প্রথা নিপাত যাক, ‘মেধাবীরা মুক্তি পাক’ এমন নানা স্লোগান দিতে থাকে।
আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী জসিম উদ্দিন বলেন, ‘আমরা সংস্কার না, সম্পূর্ণ কোটা বাতিল চাই। দাবি না মানা পর্যন্ত লাগাতার রাস্তা অবরোধ কর্মসূচি চলবে আমাদের।’
শাহীনুর ইসলাম সান নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘২০১৮ সালে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে মেধাভিত্তিক নিয়োগের জন্য একটি পরিপত্র জারি করেছিল সরকার। সম্প্রতি হাইকোর্ট তা বাতিল করেছে, আমাদের সেটি পুনর্বহাল করতে হবে।’
অনায্য ও অযৌক্তিক কোটা বাতিলের দাবিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ সর্ববৃহৎ আন্দোলন ও বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে। এর আগে ১ ও ২ জুলাই আন্দোলনে শিক্ষার্থীরা চারটি দাবি জানায়। দাবি আদায় না হলে টানা আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। তারই প্রেক্ষিতে আজ বৃহৎ আন্দোলন ও রাস্তা অবরোধ করে শিক্ষার্থীরা।










