চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

করোনাকালের রমজানে দ্রব্যমূল্যের কারসাজি বন্ধে পদক্ষেপ কী?

করোনাভাইরাসের প্রভাবে জনজীবন থমকে আছে বিশ্বব্যাপী। এরমধ্যেই আমাদের সামনে হাজির হচ্ছে মুসলমানদের অন্যতম প্রধান পবিত্রতম মাস মাহে রমজান। প্রতিবছর এ মাসকে সামনে রেখে নানা ধরনের আয়োজন থাকলেও এবার করোনাক্রান্তিতে ভিন্ন চিত্র।

করোনাভাইরাস শনাক্তের শুরুর দিকেও কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী কারসাজি করে দ্রব্যমূল্য বাড়িয়েছেন। এমন দৃশ্যও আমরা দেখেছি। এরপর থেকে করোনাকালেও কেউ কেউ সেই ধারা অব্যাহত রাখার চেষ্টা করেছেন। এখনও অনেক জায়গায় করোনার দোহাই দিয়ে অনেকেই কারসাজি করছেন বলে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

রমজানে বিশ্বের অন্যান্য দেশে ব্যবসায়ীদের মানবিক চিত্রের বিপরীতে আমাদের দেশের বাস্তবতা ভিন্ন থাকে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রমজানে পণ্যের দাম কম থাকলেও এখানকার অতিলোভী ব্যবসায়ীরা কথিত সংকট সৃষ্টি করে দাম বাড়ানোর অপচেষ্টা করেন। এসময় সরকারও এসব অপকর্ম বন্ধের চেষ্টায় সোচ্চার থাকেন। কখনও তারা সফল হন, আবার অনেকাংশেই সফল হন না। এটা আসলে তাদের একার পক্ষে সম্ভবও না। এজন্য আমাদের সবাইকে যার যার অবস্থান থেকে নীতি নৈতিকতার চর্চা অব্যাহত রাখতে হবে।

বিজ্ঞাপন

তবে প্রবাদ রয়েছে, ‘চোর না শোনে ধর্মের কাহিনী’। এজন্যই করোনাকালেও আমরা দ্রব্যমূল্যের কারসাজি দেখেছি। এখনও রমজানকে সামনে রেখে তারা যে সক্রিয় হয়ে উঠবে না, এর কোনো নিশ্চয়তা নেই। করোনাক্রান্তিতেও তাদের অপকর্মের শঙ্কা থেকেই যায়। এজন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে আরও উদ্যোগী হতে হতে হবে। এছাড়া কোনো বিকল্প নেই।

একইসঙ্গে করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে ফরজ এবং তারাবীহ নামাজসহ সব ধরনের ইবাদত ঘরে আদায় করার যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, তা পালন করতে হবে। মহামারী গেলে আমরা আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যেতে পারবো। কিন্তু নিজেরাই যদি সচেতন না হই, তাহলে পরিস্থিতি খুবই খারাপের দিকে যাবে। ইটালি এবং যুক্তরাষ্ট্রের পরিস্থিতি তাই বলছে। এজন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে যার যার অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে আমরা আহ্বান জানাচ্ছি।