একের পর এক দ্বন্দ্ব লেগেই চলছে রিয়াল মাদ্রিদের সাজঘরে। দুই খেলোয়াড় মধ্যে হাতাহাতি, কোচের সাথে তর্ক এমনকি কাইলিয়ান এমবাপেকে বহিষ্কার করতে পিটিশন। তব সবকিছুকে ছাপিয়ে এবার সামনে এল নতুন এক খবর। বার্সেলোনা বেশ আগেই প্রস্তাব দিয়েছিল এমবাপে এবং ভিনিসিয়াস জুনিয়রকে, তবে দুইজনি সেটি প্রত্যখ্যান করেন। বিষয়টি জানিয়েছেন কাতালান ক্লাবটির সাবেক সভাপতি জোসেপ মারিয়া বার্তোমেউ।
সাবেক এ সভাপতি জানান, ভিনিসিয়াসের সঙ্গে তাদের একটি নীতিগত চুক্তিও এগিয়েছিল। তবে তৎকালীন রিয়ালের কোচ জিনেদিন জিদানের অধীনে থাকা মাদ্রিদ ২০১৭ সালে ঘোষণা করে, তারা ফ্লামেঙ্গো থেকে ভিনিসিয়াসকে দলে নেয়ার জন্য একটি চুক্তি সম্মতিতে পৌঁছেছে। পরে অবশ্য ২০১৯ সালে ভিনিসিয়াস প্রথমবার প্রকাশ করেন, বার্সা আরও বেশি অর্থের প্রস্তাব দেয়ার সত্ত্বেও তিনি মাদ্রিদে যোগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, কারণ তার মনে হয়েছিল সেখানে আরও বেশি সুযোগ রয়েছে।
ইংলিশ গণমাধ্যমকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বার্তোমেউ বলেছেন, ‘ভিনিসিয়াসকে দলে ভেড়ানোর একটি সম্ভাব্য চুক্তিতে বার্সেলোনা বেশ অগ্রগতি করেছিল। তার প্রতি ক্লাবের আগ্রহও ছিল। আমরা তার পরিবার ও এজেন্টদের সঙ্গে কথা বলেছি এবং নীতিগতভাবে একটি সমঝোতাও হয়েছিল।’
এছাড়াও বার্সেলোনা মোটা অঙ্কের অর্থ খরচ করতে রাজি ছিল এমবাপের জন্য। তবে সেখানেও ব্যর্থ হয় ক্লাবটি। এমবাপে মোনাকোতে থাকাকালীনই বার্সার নজরে ছিলেন। বার্তোমেউ বলেছেন, ‘মোনাকো এমন একটি বিশাল অঙ্কের অর্থ দাবি করছিল যা বার্সা সেই সময়ে পরিশোধ করতে পারতো।’
‘আমরাই ছিলাম বিশ্বের সবচেয়ে বেশি অর্থ উপার্জনকারী ক্লাব, যাদের অনুপাত ছিল সেরা। আসলে, সত্যিটা হলো আমরা খুবই, খুবই ভালো আর্থিক অবস্থায় আছি। আমার মনে আছে, এমবাপের বাবার সঙ্গে দু-একবার কথা হয়েছিল, কিন্তু প্যারিস সেন্ট-জার্মেইন মোনাকোর ওপর অনেক চাপ দিচ্ছিল। এছাড়াও সেসময় এমবাপেও পিএসজির মত একটি ফরাসি দল যেতেই বেশি পছন্দ করত।’
‘আমরা উসমান দেম্বেলের সঙ্গেও আলোচনা করছিলাম, যিনি কোচদের পছন্দের খেলোয়াড় ছিলেন।’








