ইংল্যান্ড প্রথমবার বিশ্বকাপ জেতার পর কেটে গেছে ৫২ বছর। রাশিয়ায় ভালো একটা সুযোগ তৈরি হয়েছে। শিরোপা উঁচিয়ে ধরতে দু’কদম দূরে রয়েছে ১৯৬৬’র বিশ্বজয়ীরা। সেই বিশ্বকাপের ফাইনালে পশ্চিম জার্মানির বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করা ইংলিশদের সাবেক ফুটবলার জিওফ হার্স্ট এবার ইংল্যান্ডের হাতেই বিশ্বকাপ দেখতে পাচ্ছেন।
‘তরুণ দলটির মধ্যে অন্যরকম এক গতি রয়েছে। যা আসলে কোচ সাউথগেট তৈরি করে দিয়েছে। আমাদের সময়ও এই টিম স্পিরিটটা ছিল। স্যার অ্যালফ র্যামসে তৈরি করে দিতে পেরেছিলেন।’
হার্স্ট ৬৬’র ওয়েম্বলির সেই ফাইনালের নায়ক। পরিস্থিতিটা তার ভালোই জানা। তাই অকপটেই বলতে পারছেন, তখনকার কোচ অ্যালফ র্যামসে সঙ্গে এবারের কোচ গ্যারেথ সাউথগেটের দারুণ মিল খুঁজে পাচ্ছেন।
‘সাউথগেট যেন স্যর অ্যালফের মতো। তিনি ফুটবলারদের সবটুকু আদায় করে নিতে জানতেন। সাউথগেটও জানে। স্যারের একটা পরিষ্কার ভিশন ছিল। সাউথগেটেরও সেটা আছে।’
‘সাউথগেটের এই দলটার বিশ্বকাপ জেতার যোগ্যতা আছে। আমাদের কৃতিত্ব ছুঁতে পারে।’ আত্মবিশ্বাসী হার্স্টের অভিমত।
বিশ্বকাপ শুরুর আগে অবশ্য সাউথগেটের দল নিয়ে অতটা আশাবাদী ছিলেন না হার্স্ট, ‘শুরুর আগে বলেছিলাম, কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত যেতে পারে ইংল্যান্ড। কিন্তু সময় যত এগিয়েছে, আমার আশা ততো বেড়েছে। এখন তাই জোর দিয়েই বলতে পারছি, আমরাই বিশ্বকাপ জিতব।’

বায়ান্ন বছর আগের সেই দলটির সঙ্গে এবারের দলের কিছু অমিলও খুঁজে পেয়েছেন হার্স্ট, ‘সম্ভবত সবচেয়ে বড় পার্থক্য, আমাদের সেই দলে চারজন জেনুইন ওয়ার্ল্ডক্লাস প্লেয়ার ছিল। গর্ডন ব্যাঙ্কস, ববি মুর, ববি চার্লটন ও জিমি গ্রিভস। জিমি অবশ্য ফাইনালে খেলেনি। এবারের দলে ওই ধরনের প্লেয়ার নেই। এরা সবাই সমমানের। প্রায় সবাই তরুণ। উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ রয়েছে। একটা অন্যরকম স্পিরিট আছে এই দলটার। যেকোনো দলে বিপক্ষে এই দলটা দারুণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম।’







