দীর্ঘ দেড় দশক পর বাংলাদেশের মাটিতে ওয়ানডে সিরিজ খেলতে এসেছে অস্ট্রেলিয়া। মিরপুরের শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে গড়াতে চলা সিরিজটির আগে অতীত পরিসংখ্যান নিয়ে ভাবছে না বাংলাদেশ। অজিরা এগিয়ে থাকলেও, নিজেদের চেনা কন্ডিশনে যেকোনো পরাশক্তিকে হারাতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত টিম টাইগার্স।
মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বে মিরপুরের চেনা উইকেটে পূর্ণ সুবিধা নিতে চাইবে বাংলাদেশ। নাহিদ রানার গতিময় বোলিং, মোস্তাফিজ-তাসকিনদের বৈচিত্র সফরকারী ব্যাটারদের জন্য বড় পরীক্ষা হতে পারে। দলে অভিজ্ঞ ও তরুণদের দারুণ সমন্বয় থাকায় প্রথম ম্যাচেই জয়ের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে টাইগাররা।
মিচেল মার্শ এবং ট্রাভিস হেডের মতো তারকাদের ছাড়াই বাংলাদেশে এসেছে অস্ট্রেলিয়া দল। জশ ইংলিশের নেতৃত্বে তরুণ এই দলটিতে মার্নাস লাবুশেন এবং অ্যাডাম জাম্পার মতো অভিজ্ঞ বিশ্বমানের ক্রিকেটাররা রয়েছেন। তারকাদের অনুপস্থিতিতে নতুনদের প্রমাণ করার এবং নিজেদের চেনা আধিপত্য বজায় রাখার চ্যালেঞ্জ থাকবে অজিদের সামনে।
মিরপুরের উইকেট সাধারণত স্পিন-সহায়ক হয়ে থাকলেও সাম্প্রতিক বাস্তবতা ভিন্ন। উইকেটের ঘাস ইঙ্গিত দিচ্ছে, শুরুতে পেসাররা কিছুটা বাড়তি সুবিধা বা সুইং পেতে পারেন।
দুই দলের অতীত ওয়ানডে পরিসংখ্যানের বলছে, ২২ বারের দেখায় মাত্র একবার জিতেছে বাংলাদেশ। বিপরীতে অজিরা ২০টিতে জয় পায়, একটি ম্যাচ ছিল পরিত্যক্ত।
ম্যাচ পূর্ববর্তী অফিসিয়াল সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ দলগত প্রস্তুতি নিয়ে অত্যন্ত ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের একটাই পরিকল্পনা, ভালো ক্রিকেট খেলতে হবে, ম্যাচ জিততে হবে।’
অস্ট্রেলিয়া দলের জন্য চ্যালেঞ্জিং সিরিজ হবে জানিয়ে দলটির অধিনায়ক জশ ইংলিশ বলেন, ‘তারা খুবই ভারসাম্যপূর্ণ একটি দল। স্বাভাবিকভাবেই আপনারা নিজেদের ঘরের মাঠের কন্ডিশনে খেলছেন। আমাদের অনেকেই আগে এখানে আসেনি, তবে আমাদের যেটা আছে তা হলো নিজেদের ওপর অগাধ বিশ্বাস। আমার মনে হয় এটি একটি দারুণ সিরিজ হতে যাচ্ছে।’
মিরপুরে দুই দল শেষবার দ্বিপাক্ষিক ওয়ানডে সিরিজে মুখোমুখি হয়েছিল ২০১১ সালে। সেই সিরিজে অস্ট্রেলিয়া ৩-০ ব্যবধানে বাংলাদেশকে হোয়াইটওয়াশ করেছিল। তবে ২০২১ সালে একই মাঠে টি-টুয়েন্টি সিরিজে অস্ট্রেলিয়াকে ৪-১ ব্যবধানে হারিয়েছিল বাংলাদেশ।







