চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

আশা বাঁচিয়ে রাখল কাপালির সিলেট

দুই দলের জন্য সমান গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। এক দলের জন্য তো প্রায় বাঁচা-মরার। কারণ হারলেই ষষ্ঠ বিপিএলে শেষ চারে যাওয়া হবে না। এমন সমীকরণের সামনে জ্বলে উঠল সিলেট সিক্সার্স। রাজশাহী কিংসকে দাঁড়াতেই দেয়নি নতুন অধিনায়ক অলোক কাপালির দল।

চট্টগ্রাম পর্বের প্রথম ম্যাচে শুক্রবার সিলেট সিক্সার্সের কাছে ৭৬ রানের বিশাল ব্যবধানে হেরেছে রাজশাহী। জহুর আহমেদ চৌধুরি স্টেডিয়ামে ১৮১ রান তাড়ায় নেমে ১০৪ রানে অলআউট হয়েছে মেহেদী হাসান মিরাজের দল।

বিজ্ঞাপন

এর আগে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ১৮০ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে সিলেট। সর্বোচ্চ ৪২ করেছেন ইংলিশ তারকা জেসন রয়।

বড় ব্যবধানে জয়ের পরও বাদ পড়ার শঙ্কা মাথার উপর ঝুলে আছে সিলেটের। ৯ ম্যাচে তিন জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের ছয়ে থাকা দলটিকে হাতে থাকা তিন ম্যাচেই জিততে হবে। সঙ্গে তাকিয়ে থাকতে হবে অন্য দলগুলোর জয়-পরাজয়ের দিকেও।

বিজ্ঞাপন

১৮১ রান তাড়ায় শুরুতা দারুণভাবে করতে হতো রাজশাহীর ব্যাটসম্যানদের। কিন্তু দুই ওপেনার লুক ইভান্স ও মুমিনুল হক করলেন ঠিক উল্টোটা। দলকে বিপদে রেখে ১৬ রানের মধ্যে ফিরলেন দুজনেই। পরে ১২ রান করে রায়ান টেন ডেসকাট ফিরলে বিপদটা আরও বড় হয়।

৪৫ রানে ৩ উইকেট হারালেও রাজশাহীর জন্য আশার আলোটা জ্বেলে রেখেছিলেন ফজলে মাহমুদ রাব্বী। চলতি বিপিএলে মাত্র দুই ম্যাচ সুযোগ পাওয়া রাব্বীর ব্যাট তৃতীয় ম্যাচে উঠল জ্বলে। ৪০ বলে তুলে নেন এবারের বিপিএলে নিজের প্রথম ফিফটিও।

ফিফটি তোলার পরের বলেই ধৈর্য হারান রাব্বী। ঠিক ৫০ করে মোহাম্মদ নেওয়াজের বলে অলোক কাপালির হাতে পড়েন ধরা। ফেরার আগে ৬ চার ও একটি ছক্কা এসেছে এ বাঁহাতির ব্যাটে।

রাব্বীকে আউট করার পরের তিন বলে ক্রিস্টিয়ান জোঙ্কার ও মেহেদী মিরাজকে ফিরিয়ে রাজশাহীর আশার পথ বন্ধ করে দেন নেওয়াজ। ৪ ওভারে ২২ রান দিয়ে তিন উইকেট নিয়েছেন পাকিস্তানি অলরাউন্ডার। ব্যাট হাতে ১০ বলে ২৩ রান করার পর ৪ ওভারে ১৭ রান খরচায় সেরা বোলার অবশ্য আরেক পাকিস্তানি সোহেল তানভির। দুটি করে উইকেট নিয়েছেন তাসকিন আহমেদ ও অলোক কাপালি।

Bellow Post-Green View