চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

আশরাফুল-রাজ্জাকরা আবারও পরীক্ষার সুযোগ পাবেন

জাতীয় ক্রিকেট লিগ (এনসিএল) শুরু হচ্ছে ১০ অক্টোবর। তার আগে আটটি বিভাগীয় দলের প্রাথমিক স্কোয়াডে থাকা ক্রিকেটারদের বিপ টেস্ট নিয়েছে বিসিবি। ফিটনেস পরীক্ষায় বোর্ডের বেধে দেয়া লেভেল (১১) ছুঁতে পারেননি ঘরোয়াতে নিয়মিত পারফর্মারদের বেশ কয়েকজন।

অকৃতকার্যদের তালিকায় আছেন বেশকিছু ভারি নাম। আব্দুর রাজ্জাক, তুষার ইমরান, মোহাম্মদ আশরাফুল, নাসির হোসেন, ইলিয়াস সানি, আরাফাত সানি, নাদিফ চৌধুরীর মতো অভিজ্ঞ ক্রিকেটাররা টার্গেট ছুঁতে পারেননি। এনসিএলের দলে বিবেচনায় আসতে তাদের আবারও দিতে হবে পরীক্ষা। নির্ধারিত মান ছুঁতে পারলেই কেবল সুযোগ মিলবে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের আসরটিতে খেলার।

গত বছর থেকে বিসিবি প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের জন্য ফিটনেসের পরীক্ষা নেয়া শুরু করে। তখন বিপ টেস্টে ৯ পেলেই চলত। দুইধাপ বাড়িয়ে এবার করা হয়েছে ১১। যেটি জাতীয় দলের জন্য নির্ধারিত মানের সমান।

যারা মানদণ্ড পূরণ করতে পারেননি তারা আরও কয়েকদফা পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ পাবেন, জানিয়েছেন নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন। তিনি জানান, বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভবিষ্যতের কথা ভেবেই ফিটনেসের ব্যাপারে কঠোর হচ্ছে বোর্ড। তবে পর্যাপ্ত সুযোগ থাকবে নির্দিষ্ট মান ছুঁয়ে দলে ঢোকার।

বিজ্ঞাপন

‘গতবার যে স্কোরটা ছিল, এবার তারচেয়ে একটু বেশি। এটা খেলোয়াড়রা সবাই জানত। নতুন কিছু না। আলোচনা একটু বেশি হয়েছে হয়ত, যেহেতু লেভেলটা একটু বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু আমার মনে হয় যে যাই বলুক, খেলোয়াড়রা এটি খুব ইতিবাচকভাবে নিয়েছে। এটা তাদের জন্যই ভালো, সবাই এটা উপলব্ধি করতে পেরেছে। যে কারণে আমি খুবই খুশি।’

‘যতদূর দেখলাম এখন পর্যন্ত ঢাকাতে, ঢাকার বাইরের ফলাফল আমরা এখনও হাতে পাইনি। ঢাকাতে এখন পর্যন্ত প্রায় ৯৬ শতাংশ পাশ করে গেছে। যে লক্ষ্যটা (১১) দেয়া হয়েছিল, সেটা পূরণ করতে পেরেছে। আমরা বলেছি যে, যদি কেউ পূরণ করতে না পারে, আমরা দ্বিতীয়-তৃতীয় বা চতুর্থবার নেব। সুযোগটা থাকবে ওই লেভেলে আসার।’

‘আমরা একটা স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করার চেষ্টা করছি। কালচার তৈরি করার চেষ্টা করছি। আশা করছি সবাই এটা বুঝতে পারবে। আমার খেলোয়াড়রা বুঝতে পেরেছে তো আমি খুবই খুশি।’

‘দরকার হলে ৫বার পরীক্ষার সুযোগ দেব। গতবারও দিয়েছি। ৪-৫ জন পারেনি লেভেল ছুঁতে। তাদেরকে রাখা হয়নি এবং সময় দেয়া হয়েছিল, বলা হয়েছিল যখনই পারবা পরদিনই টিমে ঢুকে যাবা। গতবার এভাবে ৩-৪ জন ঢুকেও গিয়েছিল। আমরা একটা সিদ্ধান্তে এসেছি যে, ভবিষ্যতের ক্রিকেটের জন্য আমরা একটা ব্র্যান্ড সেট করতে চাই। সেটার প্রথম শর্ত হল ফিটনেস এবং ফিল্ডিং। এ দুটি সবার আগে।’ জানান হাবিবুল।

বিজ্ঞাপন