চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

অঁরিকে দেখে ‘কথা’ হারিয়ে ফেলেছিলেন মেসি

২০০৭ সালে আর্সেনাল থেকে যখন বার্সেলোনাতে পাড়ি জমান থিয়েরি অঁরি, লিওনেল মেসি তখন ফুটবল বিশ্বের উঠতি তারকা। বিশ্বকাপজয়ী অঁরি তখন নিজেকে নিয়ে গেছেন কিংবদন্তির কাতারে। এমন এক তারকাকে সামনাসামনি দেখে নাকি মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন মেসি। সাবেক বার্সা সতীর্থকে নিয়ে মার্কার মাধ্যমে লেকিপেকে সাক্ষাতকারে এমনই বলেছেন কাতালান ক্লাবটির বর্তমান অধিনায়ক আর্জেন্টাইন মহাতারকা।

অঁরি যখন ন্যু ক্যাম্পে পা ফেলেন, মেসির বয়স সবে ২০। অবশ্য সেই বয়সেই নিজের প্রতিভার কথা সারাবিশ্বকে জানিয়ে দিয়েছেন আর্জেন্টাইন ক্ষুদে জাদুকর। আর্সেনালকে অপরাজিত লিগ চ্যাম্পিয়ন করা অঁরি তখন ফুটবল বিশ্বের সেরা ফরোয়ার্ডদের একজন। এমন একজনের সঙ্গে কথা বলার আত্মবিশ্বাস নিজের মাঝে ছিল না বলে অবলীলায় স্বীকার করেছেন মেসি।

বিজ্ঞাপন

‘আমার মনে আছে প্রথম যেদিন তিনি ড্রেসিংরুমে প্রবেশ করেছিলেন, তার চোখের দিকে তাকাতে সাহসই পাইনি। ইংল্যান্ডে তিনি কি করেছেন আমার জানা ছিল। হঠাতই আমার মাথায় এলো আমরা তো এখন এক দলে। তিতিকে(অঁরি) নিয়ে আমার প্রথম যে উপলব্ধি হয়েছে তা হল শ্রদ্ধা।’

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

‘আমি অঁরিকে ভালোবাসতাম। যেভাবে তিনি ফিনিশিং দিতেন, একটা গোলের জন্য শুরু থেকে শেষপর্যন্ত খেলা বানিয়ে নিতেন, সবকিছুর জন্য। তার ভঙ্গিমা ছিল প্রাকৃতিক। তার ক্যারিয়ার, ড্রিবলিং। সবকিছু ছিল স্বচ্ছ, সমানুপাতিক।’

দুজনে মিলে বার্সাকে উপহার দিয়েছেন সব অসাধারণ মূহুর্ত। ২০০৯ সালে ইউরোপের একমাত্র দল হিসেবে এক মৌসুমের ছয়টি শিরোপাই জিতেছিল বার্সা। মেসি ও অঁরি ছিলেন সেই দলের অপরিহার্য সদস্য।

তিন মৌসুমে ১২১ ম্যাচে ৪৯ গোলের পর বার্সা ছেড়ে ২০১০ সালে নিউইয়র্ক রেডবুলসে যোগ দেন অঁরি। কিন্তু মেসির প্রতি অতীতের সেই স্নেহটা এখনো অনুভব করেন ১৯৯৮ বিশ্বকাপজয়ী ফ্রেঞ্চ ফরোয়ার্ড।

‘আমার সৌভাগ্য হয়েছে ম্যারাডোনার খেলা দেখার। একমাত্র মেসিকেই মনে হয়েছে তার মতো। লিওর মাঝে এমন কিছু ছিল যা কখনো মুছে যায়নি। ম্যারাডোনার ক্ষেত্রেও তাই।’