গত ৫টি ধাপের মতো ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের ৬ষ্ঠ অর্থাৎ শেষ ধাপেও সহিংসতা ও প্রাণহানীর মধ্য দিয়ে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। শেষ ধাপের ভোটগ্রহণের দিন ময়মনসিংহের গফরগাঁও, ফেনীর সোনাগাজী ও নোয়াখালীতে সংঘর্ষে ৩ জন নিহত হয়েছে।
এছাড়াও নির্বাচনী সহিংসতায় নোয়াখালীতে ৩, চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার কাঞ্চন ইউনিয়নে ১ ও চাঁদপুরের মতলবের উত্তর কলাকান্দায় ৫ জন গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। টাঙ্গাইলের ঘাটাইল, লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ ও রাজশাহীর পবায় সংঘর্ষে আহত হয়েছে ৩৩ জন।
সাভারের বিরুলিয়ায় ১, ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলায় ৩ ও কুমিল্লা সদর দক্ষিণের ৫টি ইউনিয়নে বিএনপির চেয়ারম্যান প্রার্থীরা নির্বাচন বর্জন করেছে।
শেষ দফায় মোট ৬শ’ ৯৮ টি ইউপিতে নির্বাচনে ভোটগ্রহণ হয়েছে। এরই মধ্যে আওয়ামী লীগের ২৫ জন প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়াও দুটি ইউপিতে চেয়ারম্যানসহ সব প্রার্থীই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন।
শেষ ধাপে চেয়ারম্যান পদে প্রায় ৩ হাজার, সাধারণ সদস্য পদে প্রায় ১০ হাজার এবং সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে প্রায় ৫ হাজার প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
ভোটগ্রহণ উপলক্ষে নির্বাচনী এলাকায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়। মোতায়েন করা হয় র্যাব, পুলিশ, আনসার, বিজিবিসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় ২ লাখ সদস্য।








