এমপিওভুক্ত ও বেসরকারি সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয়ের হিসাব চাইবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। অতিরিক্ত ফি নিয়েছে এমন ১৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয়ের হিসাব এরই মধ্যে চাওয়া হয়েছে।
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভর্তি নীতিমালা ২০১৫ লঙ্ঘণের অভিযোগে ঢাকা মহানগরের ১৩ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মোট আয়-ব্যয়, সঞ্চয়ের পরিমাণ, শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন, আনুসঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা এবং অর্জিত অর্থ কিভাবে ব্যয় করা হয়েছে, তার তথ্য চেয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর বলছে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পে-স্কেল বাস্তবায়নের পর অনেক প্রতিষ্ঠানই ইচ্ছে মতো বেতন ভাতা নিচ্ছে। তাই যৌক্তিক বেতন নির্ধারণেই এমন উদ্যোগ।
ঢাকার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (মাধ্যমিক) এলিয়াস হোসেন বলেন, মন্ত্রণালয় চেয়েছে তাদের আয়-ব্যয়ের হিসাব। অর্থাৎ কেনো তারা বাড়াচ্ছে? তারা মুখে বলছে যে, তারা বাড়াচ্ছে না আবার বলছে টিচারদের বেতন বাড়াতে হবে। তাই আয়-ব্যয়ের হিসাব পেলে মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।
তবে নিজে বেতন দিয়ে প্রতিষ্ঠান চালাতে চাইলে প্রতিষ্ঠানের খরচের জন্য আয় বের করতেই হবে মন্তব্য করে তিনি বলেন, যদি এমন হয় যে আপনার বাড়াতে হবে তাহলে বাড়াবেন কিন্তু যদি বাড়াতে না হয় তাহলে খামাখা বাড়িয়ে জনগণকে ভোগান্তিতে ফেলারতো কোন প্রয়োজন নাই।
অধিদপ্তর বলেছে, সবগুলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে তালিকা পাওয়ার পর নতুন করে প্রজ্ঞাপন দেওয়া হবে। সেই প্রজ্ঞাপন না হওয়ার আগ পর্যন্ত ভর্তি ফি ও টিউশন ফি বাড়ানোর সুযোগ নেই।
এলিয়াস হোসেন বলেন, শিক্ষকদের বেতন কিন্তু ডাবল হয়ে গেছে। সুতরাং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যে হারে দিতো সেটাও ডাবল করতে হবে। মূল বেতনই যেহেতু বেড়ে গেছে তাই অন্যান্য ভাতা সুবিধা কমিয়ে দিতে হবে।
কোনো প্রতিষ্ঠানই ইচ্ছামত বেতন আদায় করতে পারবে না উল্লেখ করে অবশ্যই এক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মানতে হবে বলে তিনি জানান।
অতিরিক্ত ফি ফেরত দিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বেধে দেওয়া ৭ দিনের আলটিমেটাম শেষ হচ্ছে বৃহস্পতিবার। অধিদপ্তর বলেছে, এরই মধ্যে বিভিন্ন স্কুল তাদের তালিকা শিক্ষা বোর্ডে জমা দিয়েছে।







