চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশিবার একে অপরের মুখোমুখি হয়েছে বায়ার্ন মিউনিখ এবং রিয়াল মাদ্রিদ। সংখ্যাটা ২২ বার। সবসময়ই বেশ রোমাঞ্চের গন্ধ থাকে এই দুই দলের লড়াইয়ে। নকআউট পর্বে ১০ বারের দেখায় ৫ বার করে সমান জয় পেয়েছে রিয়াল এবং বায়ার্ন। বুধবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে সমতার এই দেয়াল ভাঙার পালা তাদের।
সর্বশেষ ২০১৪ সালে রিয়ালের সঙ্গে দেখা হয় বাভারিয়ানদের। সেই ম্যাচের ফল একই সঙ্গে হতাশা এবং উৎসাহ জাগাতে পারে জার্মান পরাশক্তিদের। অ্যালিয়াঞ্জ অ্যারিনায় রামোস এবং রোনালদোর জোড়া গোলে ৪-০ গোলে হেরে গিয়েছিল বায়ার্ন যা নিজেদের মাঠে অন্যতম বড় হার।
এই ফল যদি হয় হতাশার, তাহলে আশার বাতি জ্বালাচ্ছে কোচের নামটি। কার্লো আনচেলত্তি। গা জ্বালানো সেই হারের অন্যতম নায়ক এখন বায়ার্নের কোচ হয়ে আলো ছড়াচ্ছেন।
পুরাতন শিষ্য জিদানের সঙ্গে দেখাই হয়ে যাচ্ছে কার্লো আনচেলত্তির। তবে প্রতিপক্ষ হিসেবে। বুধবার রাতে বায়ার্নের মাঠ অ্যালিয়াঞ্জ অ্যারিনায় ডাগআউটে যখন বসবেন কোচ আনচেলত্তি তখন প্রতিপক্ষের ডাগআউটে থাকবেন তারই শিষ্য জিনেদিন জিদান। রিয়াল মাদ্রিদের কোচ হয়ে। এই দুইজনের জুটি রিয়ালকে এনে দিয়েছিল ‘লা ডেশিমা’ বা ১০ম চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা।
রোমাঞ্চের লড়াইয়ে আদান-প্রদান হতে পারে আবেগরও। রিয়াল এবং বায়ার্নের হয়ে খেলেছেন এমন তিনজন ফুটবলার দেখা পাবেন তাদের পুরনো ক্লাবের সাথীদের। ২০১৪ সালেই বায়ার্নকে বিদায় বলে দিয়ে রিয়ালে নাম লিখিয়েছিলেন টনি ক্রুস। আর টনি ক্রুস যখন লস ব্লাঙ্কোস দলে ঢুকছেন বায়ার্নে তার জায়গাটা নিয়েছেন রিয়াল মিডফিল্ডার জাবি আলোন্সো।
দল নিয়ে একটু দুশ্চিন্তায় পড়তে হচ্ছে স্বাগতিক কোচ কার্লো আনচেলত্তিকে। ম্যাট হামলসহ আরও কয়েকজন চোটে আক্রান্ত। ইতালিয়ান কোচকে তাই দল সাজাতে বেশ ভাবতে হবে। তবে জিদানের তেমন সমস্যা নেই। রোনালদো, বেল, বেনজামারা সবাই ফর্মে।
চোট, ফর্মহীনতা যতই সমস্যা থাকুক দলদুটির নাম যখন রিয়াল, বায়ার্ন- লড়াই তখন হবেই।








