সন্ত্রাসী হামলা করে দেশী-বিদেশী নাগরিকদের জিম্মি করার পর বন্দুকধারীরা গুলশানের আর্টিজান রেস্টুরেন্টে বসে নিষিদ্ধ জঙ্গী সংগঠন জামায়াতুল মুজাহেদিনের একাংশের দুই নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলো বলে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে তদন্তকারী এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা চ্যানেল আই অনলাইনকে জানিয়েছেন, তারা কি জেএমবির কাছে কোন সহায়তা চেয়েছিলো নাকি শুধু হামলার তথ্য দিতে চেয়েছিলো, কিংবা এর পেছেনে অন্য কোন উদ্দেশ্য ছিলো কিনা তা পরিস্কার হতে আরও দু’-তিন দিন সময় লাগবে।
দুপুরে পুলিশ হেড কোয়ার্টারে শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তাদের জরুরি বৈঠকেও বিষয়টি আলোচিত হয়। আইজিপি এ কে এম শহীদুল হকের সভাপতিত্বে ওই রুদ্ধদ্বার বৈঠকে শীর্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে পরবর্তী করণীয় বিষয়ে সভা থেকে নতুন কিছু দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
বৈঠক সূত্র জানায়, হামলার পর থেকে যৌথ বাহিনীর ‘অপারেশন থান্ডারবোল্ট’ শুরু হওয়া পর্যন্ত সময়ে জঙ্গিরা জেএমবি ছাড়া আর কারও সঙ্গে যোগাযোগ করেছে তা জানার চেষ্টা ছাড়াও জিম্মি দশা থেকে মুক্ত হওয়া দুই জনের কাছ থেকে ওই সময় জঙ্গিদের কথাবার্তা ও তৎপরতা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পেয়েছেন গোয়েন্দারা। ভেতরে অবস্থান করা ব্যক্তিদের বিষয়েও তারা স্বচ্ছ ধারণা পেয়েছেন বলে গোয়েন্দারা জানিয়েছেন।
ওই রেস্টুরেন্টে আগে থেকেই কোন জঙ্গি অবস্থান করছিলো কিনা নাকি ওই রেস্টুরেন্টের কোন কর্মচারি জঙ্গিদের সহযোগী ছিলো সে বিষয়েও জানতে পেরেছেন গোয়েন্দারা। তবে যাচাই বাছাই না করে এ ব্যাপারে তারা স্পষ্ট করে কিছু বলতে চাননি।








