দেশের চার ভেন্যুতে ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে বসবে অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের আসর। বড়দের এশিয়া কাপে বাংলাদেশ দু’বার ফাইনাল খেললেও যুবারা এখনও সে স্বাদ পায়নি। এবার ঘরের মাঠে আসর হওয়ায় ফাইনাল খেলার স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ।
যুবাদের এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে উদ্বোধনী দিনে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা। আট দলের আসরে বাংলাদেশের গ্রুপে আছে পাকিস্তান ও হংকং। অন্য গ্রুপে ভারত, আফগানিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও নেপাল।
বয়সভিত্তিক দলের নির্বাচক হান্নান সরকার মনে করছেন, প্রথম ম্যাচ খেলার পর বোঝা যাবে বাংলাদেশ কতদূর যাবে। তবে সাবেক এ ক্রিকেটার ফাইনালে দেখতে চান যুবা টাইগারদের।
‘অনূর্ধ্ব-১৯ দলে আমাদের ব্যাচটা নতুন। অভিজ্ঞ খেলোয়াড় বলতে বাঁ-হাতি পেসার শরিফুল ইসলাম আছে। সে এইচপি দল, ‘এ’ দল, প্রিমিয়ার লিগে খেলেছে। বাকিরা প্রথম বিভাগ, দ্বিতীয় বিভাগ খেলে দলে জায়গা করে নিয়েছে। প্রতিযোগিতামূলক পর্যায়ে তাদের উঠে আসতে সময় লাগবে। প্রথম ম্যাচ খেলার পর ধারণা করা যাবে এশিয়া কাপে কেমন করতে পারে বাংলাদেশ। যেহেতু দেশের মাটিতে হচ্ছে, সবার প্রত্যাশা থাকবে ভালো করার ব্যাপারে। আমার আশা বাংলাদেশ ফাইনালে থাকবে।’
দুই বছর পরপর অনুষ্ঠিত হয় যুব বিশ্বকাপ। আর সেটি সামনে রেখে দল পুনর্গঠিত হয়, আসে নতুন মুখ। এবারও নতুন মুখের আধিক্য। তবে অধিনায়ক তৌহিদ হৃদয়ের গত যুব বিশ্বকাপে খেলার অভিজ্ঞতা আছে। তার সঙ্গে বেশকিছু উদীয়মান ক্রিকেটার উঠে আসায় আশাবাদী হান্নান সরকার।
‘দলে বেশকিছু প্রমিসিং প্লেয়ার আছে। তাদের নিয়ে স্বপ্ন দেখি, আগামী তিন-চার বছর পর তারা ভালো জায়গায় যাবে। তৌহিদ হৃদয় বেশ অভিজ্ঞ। জাতীয় দলের কোন কোন জায়গায় খেলোয়াড় দরকার সেটিতে গুরুত্ব দিয়ে দল তৈরি করেছি। ভালো অলরাউন্ডার, ওপেনার, লেগস্পিনার সবই আছে দলে।’
২০১২ সালে যুব এশিয়া কাপের প্রথম আসরে ফাইনাল ম্যাচ টাই হওয়ায় ট্রফি ভাগাভাগি করে নিয়েছিল ভারত ও পাকিস্তান। পরে টানা দুই আসর শিরোপা জিতে নেয় ভারত। সবশেষ ২০১৭ সালে চ্যাম্পিয়ন হয় ক্রিকেটের নতুন শক্তি আফগানিস্তান।








