চলতি মৌসুমে এর আগে চারবার ঘটেছে এমন ঘটনা। যে চারটি ম্যাচে মেসি খেলেননি, তার একটি ম্যাচও জিততে পারেনি বার্সেলোনা। রোববার রাতে আরও একবার মেসিকে ছাড়া মাঠে নেমেছিল বার্সা। এদিনও ঘটেছে একই ঘটনা। লা লিগায় লেভান্তের কাছে ৫-৪ গোলে হেরে অপরাজিত থেকে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন ভেঙে গেছে কাতালানাদের। লেভান্তে ম্যাচ চোখে নখ দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে আর্জেন্টাইন সুপারস্টারকে ছাড়া জীবন কতটা কঠিন স্প্যানিশ জায়ান্টদের।
পঁচা শামুকেও যে পা কাটে তারও উত্কৃষ্ট উদাহরণ হয়ে থাকলো বার্সেলোনা-লেভান্তের ম্যাচ। যে দলের কাছে কোনো হারের রেকর্ড নেই বরং প্রতিবারই যাদের গোল বন্যায় ডুবিয়েছে কাতালানরা, সেই লেভান্তের কাছে হেরেই অপরাজিত লা লিগা শিরোপা জয়ের স্বপ্ন শেষ হলো বার্সেলোনার।
অথচ গত ম্যাচে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদের বিরুদ্ধে দ্বিতীয়ার্ধের পুরোটা ১০ জন নিয়ে খেলেও স্বপ্নটা অক্ষুণ্ন রেখেছিলেন মেসিরা। ওই ম্যাচের পর ধরেই নেয়া হয়েছিলো বার্সেলোনা অপরাজিত। তাদের হারানোর আর কেউ নেই।
রোববার রাতে নিজেদের মাঠে মেসিবিহীন বার্সেলোনার বিপক্ষে নবম মিনিটে এগিয়ে যায় লেভান্তে। লুইস মোরালেসের বাড়ানো বল দারুণভাবে প্রতিপক্ষের জালে জড়ান বোয়াটেং। ৩১ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন বোয়াটেং। ৩৮ মিনিটে বার্সার হয়ে ব্যবধান কমান কৌতিনহো।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আবারো গোল হজম করতে হয় বার্সেলোনাকে। হোসে কামপানার কাট ব্যাকে বল পেয়ে যান অরক্ষিত বার্দি। ডি-বক্সের বাইরে থেকে বাঁকানো শটে ঠিকানা খুঁজে নেন তিনি। ৪৯ মিনিটে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন বোয়াটেং। আন্তোনিও লুনার কাছ থেকে বল পেয়ে কোনাকুনি শটে জালে পাঠান এই ফরোয়ার্ড।
৪-১ গোলে এগিয়ে যায় লেভান্তে। ম্যাচের ৫৬ মিনিটে ৫-১ ব্যবধান করে ফেলে লেভান্তে। এরপর বার্সেলোনা ঘুরে দাঁড়ালেও ম্যাচ শেষ হয় ৫-৪ এ। বার্সেলোনার পক্ষে প্রথম হ্যাটট্রিক করেও বড় পরাজয়ের স্বাদ পেতে হয় কৌতিনহোকে।
শিরোপা নিশ্চিত করা বার্সেলোনার পয়েন্ট ৩৭ ম্যাচে ৯০। দ্বিতীয় স্থানে থাকা অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের ৭৮। ৭৫ পয়েন্ট নিয়ে তিনে আছে রিয়াল মাদ্রিদ। ৪৬ পয়েন্ট নিয়ে ১৫ নম্বরে আছে লেভান্তে।









