মৃত্যুদণ্ডাদেশ পুনর্বিবেচনা চেয়ে মীর কাসেম আলীর আবেদন খারিজ করে দেওয়া আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায়ের কপি লাল কাপড়ে মুড়িয়ে কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা না চাইলে যে কোন সময় কার্যকর হবে মীর কাসেম আলীর ফাঁসির রায়।
৫ বিচারপতির সাক্ষর শেষে বিকেলে ২৯ পৃষ্ঠার রায় প্রকাশ করে সুপ্রিম কোর্ট।
রায়ে বলা হয়েছে, ৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী যে অপরাধ মীর কাসেম আলী করেছেন তা ক্ষমার অযোগ্য। এ জন্য তার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডই প্রাপ্য বলে জানায় আদালত।
সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে সুপ্রিম কোর্টের সহকারী রেজিস্টার মেহেদী হাসান রায়ের কপি ট্রাইব্যুনালের রেজিস্টার শহিদুল আলম ঝিনুকের কাছে পৌঁছে দেন। এর ঘণ্টা খানেক পর সোয়া ৭টার দিকে একটি লাল কাপড়ে করে রায়ের কপি ট্রাইব্যুনাল থেকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠানো হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় এবং আইন মন্ত্রণালয়ে চিঠির মাধ্যমে রিভিউ আবেদন খারিজের বিষয়টি ট্রাইব্যুনাল থেকে জানানো হয়।
এখন মীর কাশেম আলীর সামনে শুধুমাত্র রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার সুযোগ থাকছে। সংবিধানের ৪৯ নম্বর অনুচ্ছেদে অপরাধী নিজের ভুল শিকার করে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাওয়ার সুযোগ পান।
তবে ক্ষমা না চাইলে যে কোন সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে আল বদর নেতা মীর কাসেম আলীর ফাসি কার্যকর করবে কারা কর্তৃপক্ষ।







