সমুদ্র পথে অবৈধ অভিবাসন ঠেকাতে কোস্টগার্ডকে শক্তিশালী করার জন্য উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। এ জন্য জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে মঙ্গলবার ৪শ’ ৬৮ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
এতে বাংলাদেশের ৭শ’ ১০ কিলোমিটার উপকূলের নিরাপত্তা জোরদার করবে বলে আশা করছে সরকার।
উপকূলের ১৬ জেলাসহ সারাদেশ থেকে সমুদ্র পথে অভিবাসনের হার আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারের রোহিঙ্গা এবং বাংলাদেশী শত শত নাগরিক থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়া কিংবা লিবিয়া হয়ে ইউরোপে ঢুকতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পাড়ি দিচ্ছে অজানা সামুদ্রিক পথে।
সমুদ্রপথে অবৈধভাবে মানুষ ও পণ্য পরিবহন ঠেকানোর পাশাপাশি উপকূল নিরাপদ রাখার বিশেষ দায়িত্ব বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের। তবে দ্রুতগতির জলযান এবং অন্য অবকাঠামোগত অসুবিধায় টহল জোরদার করতে পারছেনা তারা। এর সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য এই ৪শ’ ৭০ কোটি টাকার প্রকল্প।
বৈঠক শেষে পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, বাংলাদেশ থেকে খুব শিগগিরই মানবপাচার বন্ধ হয়ে যাবে। বাংলাদেশ কোস্টগার্ডকে শক্তিশালী করার জন্য এই প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। করেছেন।
বাংলাদেশ থেকে এখন আরো কোনো ব্যক্তি বা অন্যকিছু অবৈধ পথে বাহিরে যেতে পারবে না মন্তব্য করে তিনি বলেন, মানবপাচার বন্ধের পাশাপাশি বাংলাদেশের সমুদ্র ও উপকূল এলাকার জাতীয় সম্পদকে রক্ষণাবেক্ষণ ও পাহারা দিতে এই প্রকল্প বড় ভূমিকা রাখবে।
এছাড়াও নদীভাঙ্গন থেকে কুড়িগ্রাম, সিরাজগঞ্জ এবং চট্টগ্রামের বাঁশখালীর ভূমি বাঁচাতে ৩টি প্রকল্প অনুমোদন করেছে একনেক।
এ প্রসঙ্গে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, যখন নদী ভাঙ্গে তখন যেনো কোনো রকম সংস্করের কাজ না করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশ দিয়েছেন। টেন্ডারের কাজ আগেই শেষ করে রাখা হবে। এসব প্রকল্পের কাজ তারা শীতকালে শুরু করবেন।
পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, এখন থেকে নতুন কোনো প্রকল্প ২ বারের বেশি সংশোধন করা হবে না। অর্থের অপচয় ঠেকাতে প্রধানমন্ত্রী এমন নির্দেশ দিয়েছেন।






