বার্মিংহাম থেকে: শেষের ভুলে ভারতের বিপক্ষে হারের যন্ত্রণায় দগ্ধ হওয়ার বেশ কয়েকটি স্মৃতি আছে বাংলাদেশের। দুই দলের আরেকটি মহারণ মঙ্গলবার এজবাস্টনে। নতুন অধ্যায় লিখতে মরিয়া টিম টাইগার্সের এটি বিশ্বকাপে বাঁচা-মরার ম্যাচও।
মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে নামার আগেরদিন সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা জানিয়ে গেলেন, ভারতকে হারাতে হলে ভুলের পরিমাণ কমিয়ে স্নায়ু ঠাণ্ডা রাখাই হবে বড় চ্যালেঞ্জ।
‘ভারতের বিপক্ষে আত্মবিশ্বাসী থাকতে হবে এটাই স্বাভাবিক। ভারত এখনও অনেক শক্তিশালী দল। কিন্তু আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো, অবশ্যই আত্মবিশ্বাসী হয়ে। সবক্ষেত্র ভুলের পরিমাণ অনেক কম করতে হবে, বিশেষ করে এ ধরণের বড় দলের বিপক্ষে জিততে গেলে।’
ভারতের বিপক্ষে বড় মঞ্চে সবশেষ কয়েকটি ম্যাচের ফলাফল ব্র্যাকেটবন্দী করলে বাংলাদেশ-ভারত লড়াই মানেই উত্তেজনার দামামা। সেটি আগেই ছড়িয়ে পড়ে দুই দেশের সমর্থক, এমনকি সংবাদমাধ্যমের মাঝেও। বাইরের নানা বিষয় থেকে মাঠে স্নায়ু ধরে রেখে স্বাভাবিক খেলতে পারা আরেকটি চ্যালেঞ্জ।
‘যত ঠাণ্ডা থাকা যায়। এটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কেননা হাইপটা এমনভাবে তৈরি হয় যে, প্রত্যেকটা খেলোয়াড়ও তো মানুষ, তাদেরকেও নিজেদের ধরে রাখা কঠিন হয়ে যায়। গুরুত্বপূর্ণ হল নার্ভটা ধরে রাখা এবং যা অনুশীলনে করছি মাঠে ঠিকভাবে করা। ম্যাচের প্রথম দিকে নার্ভ বেশি কাজ করে, তারপর সেটেলড হয়। মাঠে নেমে স্বাভাবিক থাকা গুরুত্বপূর্ণ। তারা ভালো শুরু করতে পারে, আমরাও অনেকে ভালো শুরু করতে পারি। এটা নিশ্চিত করতে হবে যেন ঠাণ্ডা থেকে ওই জিনিসগুলো মোকাবেলা করা যায়।’
‘বাইরের কাজ যেটি হাইপ তৈরি হয় সেটি থেকে দূরে থাকা। আপনারা প্রশ্ন করবেন স্বাভাবিক, সাধারণ মানুষও চাইবে, সেগুলো থেকে দূরে থাকলেই ভালো খেলতে সাহায্য করে। অযথা চাপ নেয়ার মানে চাপ বেড়ে যাওয়া।’







