নারীদের ব্যাপারে অশ্লীল মন্তব্যের একটি ভিডিও প্রকাশের পর নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর দাবি উঠেছে রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে। ক্ষমা চেয়ে এবং দুঃখ প্রকাশ করেও সমালোচনার ঝড় সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন তিনি।
তবে কোনো চাপের মুখে প্রেসিডেন্ট প্রার্থীতা থেকে নিজের নাম প্রত্যাহারের সম্ভাবনা একেবারেই নাকচ করেছেন ট্রাম্প।
দ্বিতীয় প্রেসিডেনশিয়াল বিতর্ক শুরুর আগে ওয়াশিংটন পোস্ট পত্রিকার অনলাইনে ২০০৫ সালে ধারণ করা তিন মিনিটের ভিডিওতে নারীদের নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য প্রকাশ হওয়ায় বিব্রতকর অবস্থায় পরেছেন ট্রাম্প। সুন্দরী মেয়ে দেখলেই তাকে চুমু খেতে ব্যাকুল হয়ে পড়েন ট্রাম্প, স্টার হলে নারীদের যা খুশি তা করা যায় রিপাবলিকান প্রার্থীর এমন আপত্তিকর মন্তব্যে হৈচৈ পড়েছে তার নিজ দলের মধ্যে।
কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের জন্য দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চেয়েছেন ট্রাম্প। তবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ‘অবিশ্বাস্য’ পরিমাণ সমর্থন পাচ্ছেন। তাই নির্বাচন থেকে তার সরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা শূন্য। এছাড়া টুইটারেও তিনি একই কথা বলেন।
ট্রাম্পের বেফাঁস মন্তব্যের সমালোচনা করেছেন তার স্ত্রী মেলানিয়া। তবে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্ব দেয়ার মতো হৃদয় তার স্বামীর রয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।
ট্রাম্পের নোংরা মন্তব্যের নিন্দা জানিয়েছেন ট্রাম্পের ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রার্থী মাইক পেন্স। বলেছেন, ভিডিওতে ট্রাম্পের কথা শুনে তিনি খুবই মর্মাহত। তবে দেশের মানুষের কাছে ক্ষমা চাওয়ায় প্রশংসা করেছেন তিনি।
প্রতিদ্বন্দ্বী ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনও এক টুইট বার্তায় ট্রাম্পের আচরণকে ‘ভীতিকর’ বলে বর্ণনা করেছেন। ‘এমন লোক কিছুতেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হতে পারেন না’ বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তবে হিলারির দেয়া বিভিন্ন একান্ত বক্তব্যের পূর্ণ বিবরণী ফাঁস করেছে উইকিলিকস। ২০১৩ ও ২০১৪ সালে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেয়া ওইসব বক্তব্যের অনুলিপি প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটন।







