চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

ভাষা আন্দোলনে পাবনা: কিছু স্মৃতি

রণেশ মৈত্ররণেশ মৈত্র
৪:৪১ অপরাহ্ণ ১৭, ফেব্রুয়ারি ২০২২
মতামত
A A

পাবনাতে ভাষা আন্দোলন ১৯৪৮ ও ১৯৫২ তেই সীমাবদ্ধ থাকে নি, তা বিস্তৃত হয়েছিল ১৯৫৩ সালের ১৫ ও ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এটি আজ থেকে ৭৪ বছর, আগের কথা। তাই অত্যন্ত স্বাভাবিক কারণেই ঘটনাসমূহের খুঁটিনাটি ও ভাষা সৈনিকদের অনেকের নাম বিস্মৃতির অতলে তলিয়ে গেছে। স্বয়ং একজন ভাষা আন্দোলনের সংগঠক ও অংশগ্রহণকারী হওয়াতে স্মৃতিতে যতটুকু আনতে পারছি, যতটুকু নিশ্চিত হতে পেরেছি, যতটুকু নিশ্চিত হতে পেরেছে- ততটুকুই এই নিবন্ধের মাধ্যমে পরবর্তী প্রজন্মকে জানাতে উদ্যোগী হয়েছি।

১৯৪৮ সালের ২৫ আগষ্ট পাকিস্তান গণপরিষদের করাচি অধিবেশনে যোগ দিয়ে ধীরেন দত্ত প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে ইংরেজি ও উর্দুর সাথে বাংলাকেও পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসাবে স্বীকৃতি দানের সপক্ষে প্রস্তাব উত্থাপন করেন। তিনি বলেন, পাকিস্তানের মধ্যে পূর্ব পাকিস্তানের জনসংখ্যাই বেশী এবং তারা সবাই বাঙালি। সেহেতু অবশ্যই জন্য ব্যবহার করা উচিত এবং পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া উচিত।

ধীরেন দত্তের এই প্রস্তাবকে সরাসরি নাকচ করে দিয়ে পাকিস্তানের প্রথম প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান, খাজা নাজিমুদ্দিন প্রমুখ মুসলিম লীগ নেতা সকল সংসদীয় শালীনতা পরিহার করে গর্জে উঠে বলেন, বাংলা পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হতে পারে না-কারণ বাংলা হিন্দুর ভাষা, ভারতের ভাষা, মুসলমান ও পাকিস্তানের ভাষা নয়। তাঁরা বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রস্তাব উত্থাপনকারী ধীরেন দত্তকে ব্যক্তিগতভাবেও আক্রমণ করে তাঁকে “ভারতের দালাল”, “পাকিস্তানের দুশমন” বলে আখ্যায়িত করেন।

রাগে, ক্ষোভে, দুঃখে ধীরেন দত্ত ফিরতি ফ্লাইটে ঢাকা প্রত্যাবর্তন করেন। প্রত্যাবর্তনের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন বামপন্থী ছাত্র নেতারা উদ্যোগী হয়ে বিপুল সংখ্যক সাধারণ ছাত্রছাত্রীর উপস্থিতিতে পূর্ব বাংলার প্রথম ভাষা সৈনিক হিসেবে বিপুলভাবে সম্বর্ধিত করেন। বস্তুত এখান থেকেই ঢাকার মাটিতে প্রথম রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে। গঠিত হয় সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ। ঘোষণা করা হয়, পাবনা ১১ মার্চ সমগ্র প্রদেশব্যাপী রাষ্ট্রভাষা দিবস পালনের প্রথম কর্মসূচী।

পাবনাতে ১১ মার্চ কে ঘিরে যেমন ব্যাপক উত্তেজনা-তেমনই ব্যাপক প্রস্তুতি। স্থানীয় প্রশাসন ও প্রস্তুতির ব্যাপকতায় উৎকণ্ঠিত হয়ে আন্দোলনের সংগঠকদের সাথে দফায় দফায় বৈঠকে বসেন। এর কারণ ছাত্র-ফেডারেশন (ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির ছাত্র সংগঠন) মুসলিম ছাত্র লীগ, ছাত্র কংগ্রেস, মুসলিম লীগের আবুল হালিম গ্রুপের একাংশে ঐক্যবদ্ধ হয়ে পাবনাতে ভাষা আন্দোলনের প্রস্তুটি নিচ্ছিলেন-সঙ্গে তমুদ্দুন মজলিশও।

প্রশাসন জানায়, মিছিল-হরতাল করলে ১৪৪ ধারা জারী করা হবে। ফলে আলোচনা ব্যর্থ হলো। নেতৃবৃন্দ জানিয়ে এলেন তাঁরা হরতাল মিছিল করবেনই।

Reneta

১১ মার্চ সকাল হতেই জারী হলো ১৪৪ ধারা। নিষেধাজ্ঞা ভেঙ্গে হরতাল ধর্মঘটে ব্যাপকভাবে মানুষের সাড়া পাওয়া গেল স্বত:স্ফূর্তভাবে। ঢাকা থেকে পালিয়ে ভাষা মতিন পাবনা এসে সব কিছু সংগঠিত করার ক্ষেত্রে পরামর্শ দেন। মিছিলেও অংশ নেন। শহরের ইন্দারাপট্টিতে পুলিশ ব্যারিকেড। মিছিলকারীরা সকলেই রাজপথে বসে পড়লেন। উচ্চকিত শ্লোগান তাঁদের মুখে উচ্চারিত হতে থাকলো। পুলিশের পাঁয়তারা ভাষা মতিনকে গ্রেফতারের। তিনি ব্যারিকেড ভেঙ্গে মিছিল নিয়ে অগ্রসর হতে থাকলেন এবং এক পর্যায়ে গ্রেফতার এড়ানোর জন্য মিছিল থেকে টুক করে বেরিয়ে ভিন্ন পথে ঢাকা চলে গেলেন।

মিছিল অগ্রসর হতে থাকলো। বানী সিনেমার কাছে যেতেই আমিনুল ইসলাম বাদশা। আমজাদ হোসেন, লুৎফর রহমান, রওশন জান চৌধুরী, মাহবুবুর রহমান খান, সেলিম বানু, প্রসাদ রায় প্রমুখকে গ্রেফতার করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যেই অবশ্য সকলকে মুক্তি দেওয়া হয়। কিন্তু মুক্তির দিন কয়েকের মধ্যেই আমিনুল ইসলাম বাদশাকে পুনরায় গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়া হয় দেশব্যাপী ধরপাকড়ের অংশ হিসেবে। একটানা সাড়ে চার বছর বিনাবিচারে আটক থাকার পর ১৯৫৩ সালে তিনি মুক্তি পান। ব্যাপক জন অংশগ্রহণের ফলে সমগ্র প্রদেশের মধ্যে পাবনা, রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম প্রভৃতি জেলায় (ঢাকার পর) ভাষা আন্দোলন অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করে।

অত:পর প্রতিবছর ১১ মার্চ ‘রাষ্ট্রভাষা দিবস’ হিসেবে কালো ব্যাজ ধারণ ও প্রচারপত্র বিলি করা হলো।

ইতোমধ্যে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে গঠিত সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের বৈঠকে গোপণ কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিটি মোহাম্মদ তোয়াহা বলেন, সবই ঠিক আছে তবে সরকার যদি ১৪৪ ধারা জারী করে তবে তা ভেঙ্গে মিছিল বের করলে মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে কারণ আসন্ন নির্বাচনে সকলকে কারাগারে আটকে রাখার একটা অজুহাত পেয়ে যেতে পারে। বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনার পর স্থির হয় যে একুশে ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলায় সাধারণ ছাত্রদের একটি বড় আকারের সভা ডাকা হোক এবং সেখানে ১৪৪ ধারা ভাঙ্গা বা না ভাঙ্গার পক্ষে ছাত্রছাত্রীরা বেশীর ভাগ যে মত দেবেন সে অনুযায়ী অগ্রসর হতে হবে।

এসে গেল একুশে ফেব্রুয়ারি। গাজীউল হকের সভাপতিত্বে সভার কাজ শুরু হলে দুইটি অভিমতই ব্যানারসহ নেতারা তাঁদের বক্তৃতায় পোল করলে ১৪৪ ধারা ভেঙ্গেই মিছিল করার সপক্ষে মিছিল বের করার সপক্ষে প্রায় সর্বসম্মত অভিমত প্রকাশ পায়।

ইতোমধ্যে পুলিশ ১৪৪ ধারা জারী করে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল গেটটি সশস্ত্র পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে রাখে। সিদ্ধান্ত হলো ১০ জন ১০ জন করে এক একটি লাইনে দাঁড়িয়ে সুশৃংখলভাবে মিছিলটি বের হবে। সম্মুখভাগে থাকবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীরা। মিছিল বের হতেই পুলিশ বাধা দিল বাধা অতিক্রম করে মিছিলটি সংসদ অভিমুখে অগ্রসর হলো।

মিছিলটি মেডিক্যাল কলেজের কাছে পৌঁছালে পুলিশ এলোপাথড়ি গুলি চালায়। শহীদ হন বরকত, সালাম, রফিক, জব্বার, শফিকুর রহমান সহ নাম না জানা অনেকের। খবর পেয়ে সংসদে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়-বিরোধী কংগ্রেস দলীয় সদস্যরা সংসদ অধিবেশন মুলতুবি করে ঘটনাস্থলে যাওয়ার প্রস্তাব দিলে তার প্রতি অনেকেরই সমর্থন থাকা সত্বেও সে প্রস্তাব বাতিল করা হয়। প্রতিবাদে মওলানা আবদুর রশিদ তর্ক বাগীশ বেরিয়ে আসেন।

যা হোক, ঢাকায় গুলি চালনার খবর মুহুর্তে দিক বিদিকে গুজব আকারে খবরটি পেলাম। সন্ধ্যায় আকাশ বানী থেকে খবরটি বিস্তারিত জেনে আমরা ছাত্র ইউনিয়ন ও ছাত্র লীগের নেতা-কর্মীরা কয়েকটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে টিনের চোঙা ফুঁকে ২২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ধর্মঘট ও গণমিছিলের কর্মসূচী ঘোষণা দিলাম। পুলিশের তাড়া খেয়ে দৌড়ে এক মোড়ে প্রচারের পর আর এক মোড়। এভাবে দৌঁড়াতে হলেও প্রচারটা দ্রুতই সারা শহরে ছড়িয়ে পড়লো।

এবারে পাবনার বাহান্ন সালের ভাষা আন্দোলনে নেতৃত্ব দানের ক্ষেত্রে প্রথমেই উল্লেখ করতে হয় তৎকালীন পাবনার ছাত্রলীগ নেতা আবদুল মমিন তালকদারের নাম। এ ছাড়াও নানাভাবে নেতৃত্ব দিয়েছেন অংশগ্রহণ করেছেন ছাত্র ইউনিয়নের রণেশ মৈত্র, আবদুল মতিন, কামাল লোহানী, নূরুদ্দিন আহম্দে, শাজাহান মাহমুদ, খালিদ হাসান, পরেশ দে, ছাত্র লীগের গোলাম হাসমায়েন, আজহার আলী পেয়ে পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র লীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক এবং সর্বশেষ বাংলাদেশকে পুনরায় পাকিস্তানের অংশীভূত করার আন্দোলনের অন্যতম নেতা সৈয়দ রেজা কাদের, আলতাফ হোসেন, আজিজুল হক মাহমুদ আলম খান।

যা হোক, ভীতি, আতংক ও উৎকণ্ঠার মধ্যে অত্যন্ত সাহসের সাথে পাবনার সকল স্তরের মানুষ ২২ ফেব্রুয়ারি পূর্ণ দিবস বা দিনরাত হরতাল পালন করেন এবং দলে দলে মিছিলে ছাত্রদের সাথে অংশগ্রহণ করে অপূর্ব সংহতি প্রকাশ করেন। মিছিলে শ্লোগানের গর্জনে রাজপথ প্রকম্পিত হতে থাকে।

এবারও পুলিশ ব্যারিকেড দিল মূল শহরের টাউন হলের (সদ্য অবলুপ্ত) কাছাকাছি এলেই সে ব্যারিকেডও ভেঙ্গে মিছিল অগ্রসর হলো এবং জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের কিছু আগে (প্রধান ডাকঘরের কাছাকাছি) এসে।

রাতে অনেক ধর পাকড় হয়। বাড়ি বাড়ি পুলিশ গিয়ে খুঁজতে থাকে তাদের তালিকাভূক্ত নেতা কর্মীদেরকে। সারা পূর্ব বাংলাব্যাপী ঐ ধরপাকড়ের শিকার হন অধ্যাপক অজিত গুহ সহ ভাষা আন্দোলনের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী। পাবনাও কোন ব্যতিক্রম হয় নি। রাতে আমার বাসাতেও পুলিশ এসেছিল কিন্তু আমি রাতটা অন্যত্র থাকাতে পুলিশ ধরতে পারেনি।

ছাত্র ইউনিয়ন নেতা জয়নুল আবেদিন ঐদিন তাঁর গ্রাম থেকে কিছু কেনাকাটার জন্যে শহরে এসেই দেখেন মিছিল। তাকে দেখে মিছিলে শ্লোগানধারী নেতাদের একজন মিছিলে যোগ দিতে ডাকলে তিনি ঢুকে পড়েন মিছিলে-সাইকেলটা অন্যত্র রেখে অপর ছাত্র ইউনিয়ন নেতা আনোয়ারুল হক রাধানগর মজুমদার একাডেমিতে পড়তেন। তিনিও ঐ স্কুলের ছাত্রদের সাথে মিছিলে যোগ দেন। এভাবেই শেষ হয় পাবনার ভাষা আন্দোলন ২২ ফেব্রুয়ারিতে।

এবারে ৫৩ সাল ১৫ মার্চ বাহান্নর ভাষা আন্দোলনের পর মুসলিম লীগ দীর্ঘদিন পূর্ব বাংলার কোথাও কোন কর্মীসভা, জনসভা, সম্মেলন করতে সাহস করে নি। কিন্তু নির্বাচন কাছাকাছি এসে পাড়ায় পরীক্ষামূলকভাবে তারা পাবনাতে মুসলিম লীগের প্রাদেশিক কাউন্সিল ও বিশাল আকারের জনসভা অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নেয়। তাদের প্রচারে জানা গেল ভাষা আন্দোলনের খুনী নূরুল আমিনও তাদের কেন্দ্রীয় নেতা খান আবদুল কাইউস খান, সরদার আবদুর রব নিশতার প্রমুখের সাথে ঐ সম্মেলন ও জনসভায় যোগ দেবেন।

এই খবর জানা মাত্র ছাত্র ইউনিয়ন ও ছাত্রলীগ নেতারা এক জরুরী গোপন বৈঠকে বসে সিদ্ধান্ত নেন, যে করেই হোক নূরুল আমীনকে পাবনা আসতে দেওয়া হবে না। এ কথা প্রচার হয়ে যাওয়ায় অন্য নেতাদের সাথে না। এ কথা প্রচার হয়ে যাওয়ায় অন্য নেতাদের সাথে না এসে সীপ্লেন যোগে নূরুল আমিন এসে পাবনার বাজিতপুর ঘাটে নেমে সার্কিট হাউসে চলে যান। ফলে তাঁর আসা প্রতিরোধ করা গেল না। কিন্তু সম্মেলন স্থলে গিয়ে মিছিল সহকারে গিয়ে নূরুল আমীনকে কোন বক্তৃতা করতে না দেওয়ার তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত হলে সেই অনুযায়ী মিছিল করে সম্মেলন স্থলে যাওয়ার স্থির হয়।

যথারীতি আলিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে বিশাল ছাত্র সমাবেশ হলো। যোগ দিলেন বিডি শ্রমিকরাও। মিছিল সুশৃংখলভাবে বাংলাভাষার সমর্থনে ও খুনী নূরুল আমিনের বিরুদ্ধে স্লোগানসহ অগ্রসর হতে থাকলে মাঝপথে মুসলিম লীগের গুন্ডারা মিছিলটিকে আকস্মিকভাবে আক্রমণ করে। ৫/৬ জন নেতা আহত হন। তাদেরকে হাসপাতালে পাঠিয়ে দিয়ে মিছিলটি পুন:সংগঠিত হয়ে ক্রুদ্ধ স্লোগানে মুখরিত হয়ে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙ্গে প্যান্ডেলের ভেতরে ঢুকে পড়ে সুদৃশ্য তোরণ, বেঞ্চি প্রভৃতি ভেঙ্গে ফেলে মঞ্চে নেতাদের প্রতি ঢিল ছুঁড়তে থাকলে নেতারা কেউই বক্তৃতা করতে না পেরে পুলিশ প্রহরায় সার্কিট হাউসে গিয়ে আশ্রয় নেন। পণ্ড হয়ে যায় মুসলিম লীগের বিশাল আয়োজন। এভাবেই খুনী নূরুল আমীন সহ রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবীর বিরোধিতাকারীর বিরুদ্ধে আন্দোলনে পাবনাবাসী নতুন ইতিহাস রচনা করে।

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

Channel-i-Tv-Live-Motiom

ট্যাগ: পাবনাভাষা আন্দোলন
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

ছবি: সংগৃহীত

দেশজুড়ে কমেছে গ্যাসের চাপ

জুলাই ৭, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের সাথে জাতিসংঘের অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করার প্রত্যয়

জুলাই ৭, ২০২৬

ভারী বর্ষণে বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র শুক্রবার পর্যন্ত বন্ধ

জুলাই ৭, ২০২৬

রংপুরে চাহিদার তুলনায় ৪ গুণ বেশি শাক-সবজি উৎপাদন

জুলাই ৭, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোর জন্য নতুন নির্দেশনা

জুলাই ৭, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey June 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT