মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার ভারী বৃষ্টিতে আবারো চট্টগ্রাম বিভাগে পাহাড় ধসের আশঙ্কা কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। এছাড়া দেশের ৪টি সমুদ্র বন্দরে এখনও ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত বলবৎ রয়েছে।
তবে সারাদেশে বৃষ্টি এবং সমুদ্র বন্দরে এখনও ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত থাকলেও দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। কিন্তু এর মধ্যেও নতুন করে বাঁধ ভেঙ্গে প্লাবিত হয়েছে ফেনীর কয়েকটি এলাকা। এছাড়া ত্রাণের অভাব আর নানা রোগ বালাইয়ে দুর্ভোগে রয়েছে বানভাসী মানুষ।
এর আগে বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে পাহাড় ধসের আশঙ্কা জানিয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তরের সতর্কতা জারি করার পরই চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে পাহাড় ধসে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথাও বলা হয়েছে।
ইতোমধ্যে গাইবান্ধা সদর, সন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি ও সাঘাটার ৪ টি উপজেলার বন্যা কবলিত ৩০টি ইউনিয়ন থেকে বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে। কিন্তু কমছে না মানুষের দুর্ভোগ। পানি কমার সাথে সাথে দেখা দিয়েছে নানা রোগ। সেই সাথে ত্রাণ সহায়তা না পাওয়ার অভিযোগ বন্যা কবলিতদের।
এছাড়া বন্যার পানিতে কুড়িগ্রামের নিন্মাঞ্চলের ঘর-বাড়ি ও রাস্তা-ঘাট বিধ্বস্ত হওয়ায় অনেকেই বসত বাড়িতে ফিরতে পারছেন না। বন্যা কবলিত এলাকায় দেখা দিয়েছে পানি বাহিত নানা রোগ। রয়েছে ত্রাণ ও বিশুদ্ধ পানির সংকট।
অন্যদিকে জামালপুরে যমুনা নদীর পানি কমছে। পানি নেমে যাওয়ায় বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্র থেকে মানুষ ঘরে ফিরতে শুরু করেছে। কিন্তু বসবাসের অনুপযোগী ঘরবাড়ি মেরামতে সহায়তা পাচ্ছে না তারা। সেই সাথে বিশুদ্ধ পানি, শুকনো খাবার, শিশু খাদ্য ও গো-খাদ্যের সংকট লেগেই রয়েছে। ঘুরে দাঁড়াতে সরকারী বেসরকারি সহায়তা চেয়েছেন বানভাসীরা।







